
১) বাড়ীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার দু’আ –
বাড়ী প্রবেশের দু’আ-
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته উচ্চারণঃ আস-সালা-মু ‘আলাইকুম ওয়া র’হমাতূল্লা-হি ওয়া বারকা-তুহ।
অর্থ: আপনাদের উপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। {আবূ দাউদ,হা/ ২৪৯৪}
বাড়ী থেকে বের হওয়ার দু’আ-
উচ্চারণ: বিসমিল্লা-হি, তাওয়াক্কলতু ‘আলাল্লা-হি, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ।
অর্থ: “আল্লাহর নামে। আমি আল্লাহর উপর নির্ভর করলাম। কোনো অবলম্বন নেই এবং কোনো শক্তি নেই আল্লাহর সাহায্য ছাড়া।” {তিরমিযী, হা/ ৩৪২৬}
২) পায়খানায় প্রবেশের ও বের হওয়ার দু’আ
â পায়খানায় প্রবেশের দু’আঃ
بسمِ اللهِ اللهمَّ إنِّي أعوذُ بكَ منَ الخُبُثِ والخبائثِ
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হ , আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খবা-ইস।”
অর্থঃ “আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি-অপবিত্রতা, অকল্যাণ,খারাপ কর্ম থেকে বা পুরুষ ও নারী শয়তান থেকে। {বুখারী, হা/১৪২/৬৩২২; তিরমিযী,হা/৬; মুসলিম,হা/৩৭৫}
â পায়খানা থেকে বের হওয়ার দু’আ
الحمدُ للهِ الذي أَذْهَبَ عَنَّى الأَذَى وعَافَانِي
উচ্চারণ : আলহামদুলিল্লা হিল্লাজি আজহাবা আন্নিল আজা ওয়া আফানি
অর্থাৎ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য যিনি আমার থেকে কষ্ট দূর করেছেন এবং স্বস্তি দান করেছেন।
â পায়খানা থেকে বের হওয়ার দু’আ
“ﻏُﻔْﺮَﺍﻧَﻚَ”
বাংলা উচ্চারণঃ গুফর-নাকা। অর্থঃ”হে আল্লাহ!আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি।
{তিরমিযী হা/৭ ; আবূ দাউদ হা/৩০; ইবনু মাজাহ, হা/৩০০।}
৩)ওযুর আগে ও পরের দু’আ-
â ওযুর আগের দু’আ-
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হ। অথবাঃ বিসমিল্লা-হির র’হমা-নির রহীম।
অর্থঃ আল্লাহর নামে। অথবা পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে।
{তিরমিযী,হা/২৫ ; ইবনু মাজাহ, হা/৩৯৭; মিশকাত,হা/৪০২।}
১। ওযুর পরের দু’আ-
أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
বাংলা উচ্চারণঃ আশহাদু আল্ লা- ইলা- হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা- শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মদান আবদুহু ওয়া রসূলুহু।
অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা:) তাঁর বান্দা ও রাসূল ।
{মুসলিম,হা/২৩৪ ; মিশকাত,হা/২৮৯।}
২। ।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মাজ্ আলনী মিনাত তাওয়া- বীনা ওয়াজ্ ‘ আলনী মিনাল মুতাতাহ্ হিরীন।
অর্থঃ “হে আল্লাহ আপনি আমাকে তাওবাকারীগণের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং যারা গুরুত্ব ও পূর্ণতা সহকারে পবিত্রতা অর্জন করেন আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করুন। {তিরমিযী,হা/৫৫ ; মিশকাত ,হা/২৮৯।}
৩।
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাকা আল্ল-হুম্মা, ওয়া বি’হামদিকা, আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লা- আংতা, আসতাগফিরুকা, ওয়া আতূবু ইলাইকা।
অর্থঃ “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি,হে আল্লাহ, এবং আপনার প্রশংসা ও জ্ঞাপন করছি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং আমি আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার কাছে তাওবা করছি।
{শাওকানী,তুহফাতুয যাকিরীন,হা/ ৯৩ ; ইরওয়াউল গালীল,হা/ ৬২৬; আলবানী, সহীহুত তারগীব১/১৬৬-১৬৭।}
৪)সানার দু’আ
১। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, বা-ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খত্ব- ইয়া- ইয়া কামা- বা-‘ আদতা বাইনাল মাশরিকি ওয়াল মাগরিব। আল্ল-হুম্মা, নাক্কিনী মিনাল খত্ব- ইয়া- কামা ইউনাক্কাসু সাওবূল আবইয়াদু মিনাদ দানাস। আল্ল-হুম্মাগসিল খত্ব- ইয়া- ইয়া বিলমা-ই ওয়াস সালজি ওয়াল বা্রদ।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনি দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন আমার ও আমার পাপের মধ্যে যেমন দূরত্ব আপনি রেখেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র করুন পাপ থেকে, তেমনভাবে পরিচ্ছন্ন করা হয় ধবধবে সাদা কাপড় কে ময়লা থেকে। হে আল্লাহ, আপনি ধৌত করুন আমার পাপরাশি পানি,বরফ এবং তুষার -শিলা দ্বারা (আমার হৃদয়কে পাপমুক্তি ও অনন্ত প্রশান্তি প্রদান করুন}
{বুখারী,হা/৭৪৪ ; মিশকাত,হা/৮১২ ; মুসলিম,হা/ ১৩৮২।}
২।
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাকা, আল্ল-হুম্মা ওয়া বি’হামদিকা, ওয়া তাবা- রকাসমুকা, ওয়া ত’আ-লা- জাদ্দুকা, ওয়া লা-ইলা-হা গ্বয়রুক।
অর্থঃ “আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, হে আল্লাহ! এবং আপনার প্রশংসাসহ। আর মহা বরকতময় আপনার নাম, সুউচ্চ আপনার মর্যাদা। আর কোনো মাবুদ নেই আপনি ছাড়া।
{তিরমিযী,হা/২৪৩ ; আবু দাউদ,হা/ ৭৭৬ ; মিশকাত,হা/ ৮১৫ও৮১৬।}
৩।
وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا ۖ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ
বাংলা উচ্চারণঃ ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাজী ফাত্বরস্ সামাওয়া-তি ওয়াল আরযা হানীফাওঁ ওয়ামা- আনা- মিনাল মুশরিকীন।
অর্থঃ’ আমি একনিষ্ঠভাবে আমার মুখ ফিরিয়েছি তাঁর দিকে, যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন। আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।
{মিশকাত,হা/৮১৩ ; মুসলিম,হা/১৮৪৮।}
৫) রুকু ও সিজদায় দু’আ
â রুকু দু’আ-
১।
سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ.
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-না রব্বিয়াল আযীম।
অর্থঃ মহা পবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি মহান।
{আবু দাউদ, হদিস নং ৮৭০।}
২।
«سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوتِ، وَالْمَلَكُوتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ»
বাংলা উচ্চারণঃ সুবহা-না যিল জাবারূতি ওয়াল মালাকুতি ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল আযমাতি।
অর্থঃ ক্ষমতা,রাজত্ব,রড়ত্ব ও মহত্ত্বের অধিকারী যিনি, তাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।
{মিশকাত,হা/ ৮৮২।}
৩।
«سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي»
বাংলা উচ্চারণঃ “সুবহা-নাকা আল্ল-হুম্মা রব্বানা -ওয়া বিহামদিকা আল্ল-হুম্ মাগফিরলী।”
অর্থঃ ‘হে আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ! তোমরা প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা করছি।হে আল্লাহ! আমাকে তুমি মাফ করে দাও।
{বুখারী,হা/৭৯৪ ; মুসলিম,হা/ ১১১৩; মিশকাত,হা/৮৭১।}
৪।
«سُبوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ»
বাংলা উচ্চারণঃ “সুব্বু’হুন কুদ্দুসূন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়ার-রূ’হ।”
অর্থঃ “মহাপবিত্র, মহামহিম, ফেরেশতাগণের এবং পবিত্রাত্নার প্রভু।”
{মুসলিম,হা/১১১৯ ; মিশকাত,হা/৮৭২।}
৫।
«اللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لَكَ سَمْعِي، وَبَصَرِي، وَمُخِّي، وَعَــــظْمِي، وَعَصَبِي، [وَمَا استَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِي]».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা লাকা রকা’অতু ওয়া বিকা আ-মানতু ওয়া লাকা আসলামতু, খাশা’আ লাকা সাম’ই ওয়া বাসারী ওয়া মুখখী ওয়া ইযামী ওয়া ‘আসাবী। [ওয়ামাস্তাক্বাল্লাত বিহি কাদামী])।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনারই জন্য রুকু করছি, এবং আপনার উপরেই ঈমান এনেছি এবং আপনারই কাছে সমর্পিত হয়েছি।ভক্তিতে অনবত হয়েছে আপনার জন্য আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি, আমার মস্তিষ্ক, আমার অস্থি ও আমার স্নায়ুতন্ত্র।”
{মুসলিম,হা/ ১৮৪৮ ; মিশকাত,হা/ ৮১৩।}
৬।
বাংলা উচ্চারণঃ”সুবহা-নাকা ওয়া বিহামদিকা আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা।”
অর্থঃ”প্রশংসা সহকারে তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করি। তোমরা নিকট ক্ষমা চাই ও তোমার নিকট তাওবা করি।”
{মুসনাদে বাঝঝার, হাদিস নং ১৯৭০}{সিলসিলা সহীহ হাদিস নং ৩০৩২}
â সিজদার দু’আ-
১।
«سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى».
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-না রব্বিয়াল আ’অলা
{ওয়া বিহামদিহী}।
অর্থঃ “মহাপবিত্র আমার প্রভু যিনি সবোর্চ্চ (এবং তাঁর প্রশংসাসহ)।”
২।
«اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ: دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلاَنِيَّتَهُ وَسِرَّهُ».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মাগ ফিরলী যাম্বী কূল্লাহু,দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউআলাহু, ওয়া আ-খিরহু, ওয়া আলা -নিয়্যাতাহু ওয়া সিররহ।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমা করুন আমার সকল পাপ,ছোট পাপ,বড় পাপ, প্রথম পাপ, শেষ পাপ,প্রকাশ্য পাপ, গোপন পাপ।
{মুসলিম,হা/৪৮৩; মিশকাত,হা/৮৯২; আবু দাউদ,হা/৮৭৮}
৩।
«سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي».
বাংলা উচ্চারণঃ সুবহা-নাকা আল্ল-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আল্ল-হুম্ মাগফিরলী।
অর্থঃ “হে আমার প্রতিপালক আল্লাহ! তোমরা প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা করছি।হে আল্লাহ! আমাকে তুমি মাফ করে দাও।
{বুখারী,হা/৭৯৪; মুসলিম,হা/১১১৩; মিশকাত,হা/৮৭১}
৪।
«سُبوحٌ، قُدُّوسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ».
বাংলা উচ্চারণঃ সুব্বু’হুন কুদ্দুসূন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়ার-রূ’হ।
অর্থঃ “(আল্লাহ) স্বীয় সত্তায় পবিত্র এবং গুনাবলীতেও পবিত্র যিনি ফেরেশতাকুল এবং জিবরাঈল (আ)-এর প্রতিপালক।
{মুসলিম,হা/১১১৯; মিশকাত,হা/৮৭২।}
৫।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ، لاَ أُحْصِي ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিরিদা-কা মিন সাখাতিক, ওয়া বি মু’আ-ফা-তিকা মিন উকূবাতিকা, ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনকা,লা-উহসী সানা -আন ‘আলাইকা ।আনতা কামা-আসনাইতা ‘আলা -নাফসিকা।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার ক্রোধ থেকে আপনার সন্তুষ্টি আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আপনার শাস্তি থেকে আপনার ক্ষমা আশ্রয় প্রার্থনা করছি। এবং আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার কাছে আপনার থেকে। আমি আপনার প্রশংসা করে শেষ করতে পারে না। আপনি ঠিক তেমনি যেমন আপনি আপনার নিজের প্রশংসা করেছেন।
{মিশকাত,হ/৮৯৩; মুসলিম,হা১১১৮।}
৬।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা আ-তিনা ফিদ-দুনইয়া হাসানাতাও, ওয়া ফিল আখিরতি হাসানাতাও, ওয়াক্বিনা-আযা-বান নার।
অর্থঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদেরকে ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ দান কর এবং তুমি আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তির থেকে বাঁচাও।
{সূরা আল বাকারা আয়াত ২০১।}
৭।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বির হামহুমা-কামা রব্বাইয়া-নী ছগীর।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন, যেভাবে তাঁরা আমাকে শৈশবে লালন পালন করেছেন।
{সূরা বনী ইসরাইল আয়াত ২৪।}
৮।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা আ’ইন্নী ‘আলা -যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবাদাতিক ।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনারকে স্মরণ করার জন্য, আপনার শুকরিয়া আদায় করার জন্য এবং আপনার সুন্দর ‘ইবাদত করার জন্য আমাকে সাহায্য করুন।
{আবূ দাউদ,হা/ ১৫২২; মিশকাত,হা/৯৪৯ ; নাসাঈ,হা/১৩০৩।}
৯।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, ওয়া আ’ঊযু বিকা ‘আযা-বিল ক্ববর ।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।
{আবূ দাউদ,হা/৫০০২।}
১০ ।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাত ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনান্না-র।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই আর আমি তোমার নিকট জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই ।
{আবূ দাউদ,হা/ ৭৯২,৯৮৫ ; মিশকাত,হা/ ৭৯২।}
৬) রুকুর পরে দন্ডায়মান অবস্থার দো’আ-
১।
উচ্চারণঃ রব্বানা লাকাল ‘হামদ।
অর্থঃ “হে আমাদের প্রভু আপনার জন্যই প্রসংসা।
২।
উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা “রব্বানা ওয়া লাকাল ‘হামদ।”
অর্থঃ “হে আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রসংসা।”
৩।
উচ্চারণঃ রব্বানা ওয়া লাকাল ‘হামদ, হামদান কাসীরন ত্বইয়িবান মুবারকান ফীহি।
অর্থঃ “হে আমাদের প্রভু, এবং আপনার জন্যই প্রসংসা, অশেষ প্রসংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রসংসা।”
{বুখারী,হা/৭৯৬ ; মুসলিম,হা/ ৪০৯ ; মিশকাত,হা/ ৮৭৪ ; তিরমিযী,হা/ ২৬৭।}
৪।
উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা রব্বানা লাকাল ‘ হামদু মিলআস সামা-ওয়াতি ওয়া মিলআল আরদি ওয়া মিলআ মা বাইনাহুমা, ওয়া মিলআ মা শি’তা মিন শাইয়িন বা’অদু।
অর্থঃ”হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, আপনার জন্যই প্রসংসা, আকাশ সমূহ পরিপূর্ণ করে, পৃথিবী পরিপূর্ণ করে, উভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সব পরিপূর্ণ করে এবং এরপর আপনি যা কিছু ইচ্ছা করেন তা পরিপূর্ণ করে প্রসংসা আপনার।”
{মিশকাত,হা/ ৮৭৬ ; মুসলিম,হা/ ১০৯৯।}
৭) দুই সাজদার মাঝের দো’আ-
১।
বাংলা উচ্চারণঃ “রব্বিগ-ফিরলী, রব্বিগ-ফিরলী।”
অর্থঃ “হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন,হে প্রভু আমাকে ক্ষমা করুন।”
{মিশকাত,হা/৯০১ ; ইবনু মাজাহ, হা/ ৮৯৭।}
২।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মাগ ফিরলী, ওয়ার’হামনী, ওয়াজবুরনী, ওয়াহদিনী, ওয়ারযুকনী, ওয়ার ফা’অনী, ওয়া আ-ফিনী।
অর্থঃ “হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে রহমত করুণ, আমাকে পূর্ণতা দিন, আমাকে হিদায়াত দিন, আমাকে রিযিক দিন,এবং আমাকে সুউচ্চ করুন,এবং আমাকে সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন।
{মিশকাত, হা/৯০০ ; তিরমিযী, হা/ ২৮৪ ; আবু দাউদ, হা/৮৫০।}
৮) সালাম ফিরানোর পূর্বের মাসনুন দু’আ –
১।
বাংলা উচ্চারণঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু, ওয়াত্ তাইয়িবাতু। আস্সালামু ‘আলাইকা আইয়্যুহান নাবীয়্যু ওয় রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সলিহীন। আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আননা মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
অর্থ : আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামায এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল।
{বুখারী,হা/৬২৩০; মুসলিম,হ/৯২৪; মিশকাত,হা/৯০৯}
২।
বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ওমুহামাদের পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ কর যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি।নিশ্চয় তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাজিল কর মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিজনের প্রতি যেভাবে রহমত নাজিল করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।
{বুখারী,হ/৩৩৭০; মুসলিম,হা/৪০৬}
৩।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বি জাহান্নামা, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল।
অর্থঃ” হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে।
{মুসলিম,হা/১২১১}
৪।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্সী যুলমান কাছীরাঁও অলা ইয়াগ্ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগ্ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহাম্নী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম।
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য যুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হতে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।
{বুখারী,হা/৮৩৪; তিরমিযী,হা/৩৫৩১; মিশকাত,হা/৯৪২; মুসলিম,হা/৭০৪৪}
৫।
উচ্চারণ: ‘আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ্খারতু ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু ওয়া মা আসরাফ্তু ওয়া মা আনতা আল’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা।’
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপনে করেছি, যা করেছি প্রকাশ্যে, যা সীমালঙ্ঘন করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো সত্য ইলাহ নেই ।
{সহীহ মুসলিম,হা/৭০৭৬}
৬।
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আউজুবিকা মিন আন্ উরাদ্দা ইলা আরযালিল ওমুরি ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া ওয়া আউজুবিকা মিন আজাবিল ক্বাবরি।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, কাপুরুষতা থেকে, বার্ধক্যের চরম দুঃখ-কষ্ট থেকে, দুনিয়ার ফেতনা-ফাসাদ ও কবরের আযাব থেকে।’
{বুখারী,হা/২৮২২,৬৩৭০ ; মিশকাত,হা/৯৬৪।}
৭।
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আ-ইন্নি আলা জিকরিকা, ওয়া শুকরিকা, ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা।
অর্থ : হে আল্লাহ, আপনার জিকির করতে, আপনার শোকরিয়া আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।
{আবূ দাউদ,হা/১৫২২; মিশকাত,হা/৯৪৯}
৮।
النار من بك واعوذ الجنة اسالك اني اللهم
বাংলা উচ্চারণঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকাল জান্নাহ ওয়া আঊযু বিকা মিনান্নার”।
অর্থঃ “হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে জান্নাত কামনা করছি এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” {আবু দাউদ,হা/৭৯২,৯৮৫; মিশকাত,হা/৭৯২}
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাত ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনান্না-র।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই আর আমি আপনার নিকট জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।
{ আবূ দাউদ,হা/৭৯২,৯৮৫ ; মিশকাত,হা/৭৯২।}
৯।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ،
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন আযা–বিল ক্ববর।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।
{ ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৫০; তিরমিযী,হা/৩৫১৩।}
১০।
رب قني عذابك يوم تبعث (تجمع) عبادك
উচ্চারণ: রব্বি ক্বিনী আযাবাকা ইয়াওমা তুব‘য়াসু ইবাদাক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে তুমি তোমার আযাব হতে বাঁচাও যেদিন তোমার বান্দারা উত্থিত হবে।
{মুসলিম,হা/৭০৯/১৬৭৬; মিশকাত হা/৯৪৭}
১১।
বাংলা উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার।’
অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! আমাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর, আখিরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।
{সূরা বাকারা : ২০১}
১২।
বাংলা উচ্চারণ : ‘রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগির।’
অর্থ : ‘হে আমাদের পালনকর্তা! তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন; যেমনিভাবে তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।’
{সুরা বনী ইসরাঈল আয়াত- ২৪}
১৩।
উচ্চারণ : বাংলা উচ্চারণঃ ‘আল্ল-হুম্মা ইন্নি আস্আলুকা বি-আন্নি আশহাদু আন্নাকা আন্তাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আন্তাল আহাদুস সামাদুল লাজি লাম্ ইয়ালিদ্ , ওয়া লাম্ ইউলাদ্ ওয়া লাম্ ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আ’হাদ।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এই বলে প্রার্থনা করছি যে,আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি, আপনিই আল্লাহ্, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি একক ,অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারো থেকে জন্ম নেননি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।’
{আবু দাউদ,হা/১৪৯৩ ; তিরমিযী,হা/৩৪২১ ; ইবনু মাজাহ,হা/৩৮৫৭।}
১৪।
বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা সুবহা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ য-লিমীন।
অর্থঃ আপনি ছাড়া (সত্যই )কোন মা’বুদ নেই। আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি, নিশ্চয়ই আমি অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত। (সুরা আম্বিয়া: আয়াত-৮৭)
১৫)
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা যঃলামনা আংফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা ওয়া তারহামনা লানাকূনান্না মিনাল খ-সিরীন।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা!আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি।যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করেন এবং আমাদের উপর অনুগ্রহ না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।
{সূরা আল আ’রাফঃ আয়াত -২৩ ।}
১৬।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা তাক্বব্বাল মিন্না ইন্নাকা আংতাস সামী’উল আলীম।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের প্রার্থনা কবুল কর। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞানী।
{সূরা, আল বাকারাঃ আয়াত -১২৭।}
১৭।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা লা তু আ-খিযনা ইন নাসী-না আও আখত্ব’না।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা!যদি আমরা ভূলে যাই কিংবা ভুল করি তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না।
{সূরা আল বাকারাহঃ আয়াত -২৮৬।}
১৮। বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা ইন্নানা আ-মান্না ফাগফি্যলানা যূনূবানা ওয়াকিনা আযা-বান্ না-র।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর। { সূরা, আলে ইমরানঃ আয়াত -১৬।}
১৯।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা আফরি’গ ‘আলাইনা সবরউ ওয়া তা ওয়াফফানা মুসলিমী-ন।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে পরিপূর্ণ ধ্যৈর্য্য দান করুন এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান করুন। {সূরা, আল আ’রাফঃ আয়াত -১২৬।}
২০।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা হাবলানা মিন আঝওয়া-জিনা ওয়া যুররিইয়া-তিনা কুররতা আ’য়ূনিউ ওয়জ’আলনা – লিল মুত্তাক্বীনা ইমা-মা।
অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর। {সূরা,ফুরক্বান – ৭৪ ।}
২১।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা’গ ফিরলী ওয়া লী ওয়া লিদাইয়্যা ওয়া লিলমু’মিনী –না ইয়াওমা ইয়াক্বু -মূল হিসা–ব।
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা!যে দিন হিসাব অনুষ্ঠিত হবে সেই দিন আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং মু’মিনদেরকে ক্ষমা করুন। { সূরা আল ইবরাহীমঃ আয়াত -৪১।}
২২।
الحاخام إن جلامتو نفسي فغافرلي ، إناهو هوال غافور رحيم.
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি ইন্নী যঃলামতু নাফসী –ফা’গফি্রলী, ইন্নাহু হুওয়াল গফূ–রুর রহী–ম।
অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা। নিশ্চয়ই আমি আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
{সূরা, আল কাসাসঃ আয়াত -১৬।}
২৩।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি হাবলী মিনাছ্ ছ-লিহী–ন।
অর্থঃ হে আমার প্রতিপালক। আপনি আমাকে সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান করুন।
{সূরা,আস-সাফফাতঃ আয়াত -১০০।}
২৪।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা আ-মান্না ফা’গফির লানা ওয়ার ‘হামনা ওয়া আংতা খইরুর র–‘হিমী–ন।
অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা ঈমান এনেছি,অতএব আপনি আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
{সূরা, আল মু’মিনঃ আয়াত -১০৯।}
২৫ ।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি’গ ফির ওয়ার ‘ হাম ওয়া আংতা খইরুর র–‘হিমী–ন।
অর্থঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
{সূরা, আল মু’মিনঃ আয়াত – ১১৮।}
২৬।
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি ঝিদনী ইলমা।
অর্থঃ “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।
সূরা,আত ত্বহাঃ আয়াত -১১৪।
২৭।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, ইন্নাকা ‘আফুওউন্ (কারীমুন) তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা’অফু ‘আন্নী।
অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল (উদার), আপনি ক্ষমা করতে ভালবাসেন, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।
{ তিরমিযী,হা/৩৫১৩ ; ইবনু মাজাহ,,হা/৩৮৫০: মিশকাত,হা/২০৯৩।}
২৮।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল বারস্বি ওয়াল জুনূ-নি ওয়াল জুযা-মি ওয়া মিন সায়ইল ‘আসক্ব–ম।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই শ্বেত রোগ,কষ্ঠরোগ, পাগলামি ও খারাপ রোগ সমূহ থেকে।
{ আবু দাউদ,হা/১৫৫৪; মিশকাত,হা/২৪৭০।}
১১ ।
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়ামা আখখরতু ওয়ামা আসররতু ওয়ামা আ’লাংতু ওয়ামা আসরফতু ওয়ামা আংতা আ’লামু বিহী মিন্নী আংতাল মুক্বদ্দিমু ওয়া আংতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা-আংতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! মাফ করে দাও আমাকে যা আগে করেছি যা পরে করেছি, যা গোপনে করেছি যা প্রকাশ্যে করেছি, আর যা সম্পর্কে তুমিই ভাল জান আমার চেয়েও। তুমি সর্বাগ্রে, তুমি সর্ব পশ্চাতে, তুমি ছাড়া কোন প্রকৃত মা’বুদ নেই।
{তিরমিযী ,হা/ ৩৪২১ ; আবূ দাউদ,হা/ ৭৬০,১৫০৯; মুসলিম,হা/১৮৪৮ ; মিশকাত,হা/৮১৩।}
১২।
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আউজুবিকা মিন আন্ উরাদ্দা ইলা আরযালিল ওমুরি ওয়া আউজুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া ওয়া আউজুবিকা মিন আজাবিল ক্বাবরি।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, কাপুরুষতা থেকে, বার্ধক্যের চরম দুঃখ-কষ্ট থেকে, দুনিয়ার ফেতনা-ফাসাদ ও কবরের আযাব থেকে।’
{বুখারী,হা/২৮২২,৬৩৭০ ; মিশকাত,হা/৯৬৪।}
৯) সালাম ফিরানোর পরের মাসনুন যিকির-
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম) সালাম ফিরানোর পর বলতেন,
১।
للَّهُ أَكْبَرُ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হু আকবার একবার। অর্থ: “আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ”।
{বুখারী, হা/ ৮৪২ ; মিশকাত, হা/ ৯৫৯।}
২।
اللهَ أَستَغْفِرُ
বাংলা উচ্চারণঃ আস-তাগফিরুল্লা-হ। তিনবার। অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
৩।
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلامُ وَمِنْكَ السَّلامُ ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা আনতাস সালা-মু ওয়া মিনকার সালা-মু ,তাবা-রকতা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকর-ম। একবার।
অর্থ: “হে আল্লাহ, আপনিই সালাম (শান্তি), আপনার থেকেই শান্তি,হে মহাসম্মানের অধিকারী ও মর্যাদা প্রদানকারী, আপনি বরকতময়।”
{মুসলিম, হা/ ৫৯১ ; মিশকাত, হা/ ৯৬১।}
৪।
لَا إِلَهَ إلا الله وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ له له الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وهو على كل شَيْءٍ قَدِيرٌ اللهم لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ ولا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ ولا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু,ওয়া হুঅ ‘আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর। আল্লা-হুম্মা,লা-মা-নি’আ লিমা-আ’অত্বাইতা, ওয়ালা-মু’অ্ত্বিয়া লিমা-মানা’অ্তা, ওয়ালা -ইয়ান্ফা’উ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু । একবার।
অর্থ: ” আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি একক , তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ,আপনি যা দান করেন তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারো নেই। আর আপনি যা না দেন তা দেওয়ার ক্ষমতাও কারো নেই। কোনো ভাগ্যবানের ভাগ্য বা পরিশ্রমীর পরিশ্রম আপনার ইচ্ছার বাইরে কোনো উপকারে লাগে না।” { মুসলিম, হা/ ৫৮৭ ; মিশকাত,হা/ ৯৬২ ; বুখারী, হা/ ৮৪৪।}
৫।
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيطَانِ الرَّجِيمِ ﴿ اَللّٰهُ لَآ اِلٰهَ اِلَّا ھُوَ ۚ اَلْـحَيُّ الْقَيُّوْمُ ڬ لَا تَاْخُذُهٗ سِـنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ۭ لَهٗ مَا فِي السَّمٰوٰتِ وَمَا فِي الْاَرْضِ ۭ مَنْ ذَا الَّذِيْ يَشْفَعُ عِنْدَهٗٓ اِلَّا بِاِذْنِهٖ ۭ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ اَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَھُمْ ۚ وَلَا يُحِيْطُوْنَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهٖٓ اِلَّا بِمَا شَاۗءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِـيُّهُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ ۚ وَلَا يَـــــُٔـــوْدُهٗ حِفْظُهُمَا ۚ وَھُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ ٢٥٥ ﴾.
বাংলা উচ্চারণঃ আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম। আল্ল-হু লা— ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্কাইয়্যুম, লা- তা’খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিসসামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াশ ফাউ ইনদাহু— ইল্লা বি ইজনিহ ,ইয়া লামু মা বাইনা- আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি— ইল্লা বিমা শা’—-আ, ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজু হুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যূল আযী-ম।
অর্থঃ আমি বিতারিত শয়তান থেকে মহান আল্লাহ তা’আলা আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।আল্লাহ,তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক।তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।আকাশ ও ভূমিতে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর।কে আছে এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তার অনুমতি ছাড়া?দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু তা ব্যতীত – যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।তাঁর আসন সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টিত করে আছে।আর সেগুলোকে ধারণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়।তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
৬।
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুছ ছমাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদ। তিনবার।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই।
৭।
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴾
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক । মিন শাররি মা-খালাক। ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ। ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ। তিনবার।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
৮।
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ اِلٰهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ڏ الْخَنَّاسِ الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ। মালিকিন্না-ছ। ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ। তিনবার।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা’বুদের তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
৯।
“سبحان الله”
বাংলা উচ্চারণঃ “সুবহা-হাল্লা-হ,’ ৩৩ বার। অর্থ: আল্লাহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি।
“ الحمد لله”
বাংলা উচ্চারণঃ আল’হামদুলিল্লাহ ৩৩ বার। অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
“الله أكبر”
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হু আকবার ৩৩ বার। অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা, ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুঅ আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর। একবার।
অর্থ: ” আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি একক , তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।”
১০।
«رب قني عذابك يوم تبعث عبادك» (رواه مسلم)
বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি ক্বিনী ‘ আযা-বাকা ইয়াওমা তাব’আসু ইবা-দাক।
অর্থঃ “হে আমার প্রভু! আমাকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাগণকে।” {মুসলিম,হা/ ৭০৯।}
১১।
اللهم أعني على ذكرك وشكرك وحسن عبادتك
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, ‘আ’ইননী ‘ আলা -যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবা-দাতিক।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার যিকির করতে,শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে তাওফীক ও ক্ষমতা প্রদান করুণ।”
{আবূ দাউদ, হা/ ১৫২২।}
১২।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ،
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন আযা-বিল ক্ববর।
অর্থঃ”হে আল্লাহ!আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।”
{আবু দাউদ, হা/ ৫০০২।}
১৩।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাত ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনান্না-র।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই আর আমি আপনার নিকট জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।{ আবূ দাউদ,হা/৭৯২,৯৮৫ ; মিশকাত,হা/৭৯২।}
১৪।
اللَّهُمَّ إنِّي أعُوذُ بِكَ مِنَ البُخْلِ، وَأَعوذُ بِكَ مِنَ الجُبْنِ، وَأعُوذُ بِكَ أنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ العُمُرِ، وَأعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়া আ’ঊযু বিকা আন উরদ্দা ইলা -আর যালিল উমুরী ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন ফিতনাতিল দুনিয়া- ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন আযা-বিল ক্ববর।
অর্থঃ”হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছান থেকে (যে বয়সে মানুষ কান্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে), আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিতনা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।”
{বুখারী,হা/২৮২২/৬৩৭০; মিশকাত,হা/৯৬৪}
১৫।
اللهم رب جبريل وميكائيل وإسرافيل أعذني من حر النار وعذاب القبر
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, রব্বা জিবরীলা ওয়া মিকাঈলা ওয়া ইসরা-ফীলা, আ’ইযনী মিন হাররিন না-রি আযা-বিল ক্ববর।
অর্থঃ হে আল্লাহ, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরা-ফীলের প্রভূ, আমাকে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন। {মুসনাদু আহমদ ৬/৬১;আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪০।}
১৬।
رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاً.
বাংলা উচ্চারণঃ রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন নাবিয়্যা।
অর্থঃ আমি সন্ত্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মদ {সাঃ}-কে নবীরূপে গ্রহণ করছি।
{আবু দাউদ,হা/৫০৭২।}
১৭।
اللهم بك أحاول وبك أقاتل وبك أصاول
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা বিকা উ’হা-বিলু, ওয়াবিকা উক্বা-তিলু, ওয়াবিকা উ’সা -বিলু।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার সাহায্যেই চেষ্টা করি, আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি এবং আপনার সাহায্যে বীরত্ব প্রদর্শন করি ও বিজয়ী হই।
{সহীহ ইবনু হিব্বান ৫/৩৭৪, মুসনাদু আহমদ ৪/৩৩২,৩৩৩।}
১৮।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْماً نَافِعاً، وَرِزْقاً طَيِّباً، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً.
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি’আন, ওয়া রিযক্বান ত্বইয়্যিবান,ওয়া আমালাম মুতাক্বাব্বালান।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান এবং হালাল রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল চাই।
{ইবনে মাজাহ,হা/৯২৫।}
১৯।
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহী, আদাদা খলক্বিহী ওয়ারিদ্ব নাফসিহী ওয়া যিনাতা আরশিহী ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহ।
অর্থঃ আমি আল্লাহর প্রসংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বানীসমূহ লেখার কালি সমপরিমাণ।
{মুসলিম,হা/২৭২৬(শামেলা),৬৬৬৫(ই.ফা.)}
২০ ।
النَّارِ مِنَ أَجِرْنِى اللَّهُمَّ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, আজিরনী মিনান-নার।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।
{আবু দাউদ,হা/৫০৭৯।}
২১।
বাংলা উচ্চারণঃ লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা -বিল্লা-হ্।।
অর্থঃ “নেই কোন ক্ষমতা, নেই কোনো শক্তি,আল্লাহ ব্যতীত।
{বুখারী,হা/৪২০৫ ; মুসলিম,হা/৫৯৪ ; মিশকাত,হা/২৩০৩}
২২।
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহি ওয়া সুব’হা- নাল্লা- হিল আযীম।
অর্থঃ “আল্লাহর প্রসংসা সহকারে পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি
। {বুখারী, মুসলিম,মিশকাত,হা/২২৯৬-৯৮।}
২৩।
বাংলা উচ্চারণঃ আস্তাগ ফিরুল্ল-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা-হুয়াল হাইউল ক্বইউম ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।যিনি চিরঞ্জীব ও সবকিছু ধারক। আমি তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তাওবা করছি।
{তিরমিযী,হা/৩৫৭৭; মিশকাত,হা/২৩৫৩}
২৪।
বাংলা উচ্চারণঃ “আল্ল-হুম্মাফিরলী মা-ক্বদ্দামতু, ওয়ামা – আখখরতু ওয়ামা – আসররতু ওয়ামা – ‘আ’লাংতু ওয়ামা – আসরফতু ওয়ামা – আংতা আ’লামু বিহী মিন্নী। আংতাল মুক্বদ্দিমু ওয়া আংতাল মুআখখিরু, লা-ইলা-হা ইল্লা-আংতা।”
অর্থঃ”হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য ক্ষমা করুন, আমি আগে যা করেছি এবং পরে যা করছি, গোপনে যা করেছি এবং প্রকাশ্যে যা করেছি এবং বাড়াবাড়ি করে যা করেছি এবং যা আপনি আমার চেয়ে ভাল জানেন। আপনিই অগ্রবর্তী করেন, আপনিই পিছিয়ে দেন। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই।
{তিরমিযী, হা/৩৪২১ ; আবূ দাউদ,হা/৭৬০}
২৫।
اللهم إني أسألك من الخير كله، ما علمت منه وما لم أعلم، وأعوذبك من شر كله، ما علمت منه وما لم أعلم
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা,ইন্নী আসআলুকা মিনাল খইরি কুল্লিহ,মা ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা-লা-আ’অলাম। ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনাশ শাররি কুল্লিহী,মা- ‘আলিমতু মিনহু ওয়া মা-লা-আ’অলাম।
অর্থঃ “হে আল্লাহ , আমার জানা ও অজানা সকল প্রকার কল্যাণ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি। এবং আমার জানা ও অজানা সকল অকল্যাণ ও অমঙ্গল থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”
{সহীহুল জামিয়িস সাগীর ১/২৭৪,সিলসিলাতুল আহাদিসিস সাহীহাহ ৪/৫৬-৫৭}
২৬।
اللهم إني أعوذ بك من الهم و الحزن والعجز و الكسل والذل والصغار والفواحش ما ظهر منها وما بطن
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল ‘হাযান,ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসাল,ওয়ায যুল্লি ওয়াস স্বাগা-র ওয়াল ফাওয়া-হিশা মা-যাহার মিনহা -ওয়ামা -বাত্বন।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছিঃ দুশ্চিন্তা, উৎকণ্ঠা, বেদনা, হতাশা,অক্ষমতা,অলসতা লাঞ্ছনা নীচতা এবং প্রকাশ্যে -গোপন অশ্লীলতা থেকে।
{ইবনু হিব্বান,সিকাত ৯/২৬৫;আলবানী যায়ীফাহ ১৩/৬৮৯।}
২৭।
لَا إلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الـمُلْكُ وَلَهُ الـحَمْدُ، يُحْيِي وَيُمِيتُ (بِيَدِهِ الـخَيْرُ) وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيءٍ قَدِيرٌ
বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ইউ’হয়ী ওয়া ইউমীতু বিইয়াদিহিল খইরু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন খদীর। দশবার।
অর্থঃ আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত সত্যিকার কোন ইলাহ নেই, তিনি একক তাঁরর কোন শরীক নাই,সমস্ত রাজত্ব একমাত্র তাঁহারই ,সমস্ত প্রশংসা তাঁহারই প্রাপ্য, তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ। এবং তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
{আলবানী, সহীহুত তারগীব ১/২৬২-২৬৪।}
২৮।
اللهم اغفر لي وتب علي إنك أنت التواب الرحيم – التواب الغفور
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মাগফির লী,ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রহীম।{অন্য বর্ণনায়ঃ(তাওয়াবুল গফুর)}। একশতবার।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমা করুন আমাকে, তাওবা কবুল করুন আমার; নিশ্চয়ই আপনি তাওবা কবুলকারী করুণাময় {অন্য বর্ণনায়ঃ তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।}
২৯। একশত বার।
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ»/
وَبِحَمْدِهِ الْعَظِيم اللَّه سُبْحَانَ
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহী/সুব’হা-নাল্লা-হিল আযীম ওয়া বি’হামদিহী। একশত বার।
অর্থঃ “ঘোষণা করছি আল্লাহর পবিত্রতা, তাঁর প্রসংসাসহ/মহামহিম আল্লাহর পবিত্রতা ও প্রসংসা ঘোষণা করছি।
৩০।
সূরা ইখলাস দশবার।
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুছ ছমাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদ। তিনবার।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই।
৩১।
দরুদ শরীফ দশবার।
বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”[সকাল -সন্ধ্যায় দশবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ওমুহামাদের পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ কর যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি।নিশ্চয় তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাজিল কর মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিজনের প্রতি যেভাবে রহমত নাজিল করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত ।
{বুখারী,হ/৩৩৭০; মুসলিম,হা/৪০৬}
৩২ । সায়্যিদুল ইস্তিগফারঃ একবার।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা, আনতা রব্বী, লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা, খালাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা আলা-‘আহদিকা ওয়া ওয়া’অ্দিকা মাস্তাত্বা’তু। আ’ঊযু বিকা মিন শাররি মা-সানা’তু,আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী।ফাগফিরলী, ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা-আনতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিজ্ঞার উপরে রয়েছি যতটুকু পেরেছি। আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমি যে কর্ম করেছি তার অকল্যাণ থেকে। আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আপনি আমাকে যত নিয়ামত দান করেছেন তা-সহ এবং আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আমার পাপ-সহ।অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, কারন আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।
{বুখারী ,হা/ ৬৩০৬,,৫৮৬৭।}
৩৩ ।
|
অর্থঃ রাসূল ঐ হিদায়াতের উপর ঈমান এনেছি,যা তার পক্ষ থেকে তার উপর নাযিল হয়েছে এবং যা্রা এ রাসূলকে মানে তারাও ঈমান এনেছে।তারা সবাই আল্লাহ, তার ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং রাসূলগণকে মানে। আর বলে আমরা তার রাসূলগণের একজন থেকে আর একজন আলাদ করি না, আমারা হুকুম শুনেছি ও আনুগত্য করেছি।হে আমাদের রব! আমরা আপনার কাছে গুনাহ মাফ চাই এবং আপনারই কাছে আমাদের ফিরে যেতে হবে। আল্লাহ কোন মানুষের উপর তার শক্তি চেয়ে বেশি বোঝা চাপিয়ে দেননা।প্রত্যেক ব্যক্তি যে নেকী কামাই করেছে, তার ফল তারই জন্য,আর যে পাপ সে জমা করেছে তার পরিমাণও তারই উপর। হে আমাদের রব! আমরা যদি ভুল করি অথবা গুণাহ করি তাহলে আমাদের কে পাকড়াও করবেনা ।হে আমাদের রব! আমাদের উপর ঐ ধরনের বোঝা চাপাবেনা যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর চাপিয়েছেন। হে আমাদের রব!যে বোঝা বইবার সাধ্য আমাদের নেই,সে বোঝা আমাদের উপর রাখবেন না। আমাদের সাথে নরম ব্যবহার করুন, আমাদেরকে মাফ করুন, আমাদের উপর রহম করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক।তাই কাফিরদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন। {সূরা,বাকারাহঃ আয়াত -২৮৫-২৮৬।}
৩৪। সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত। মাগরিব ও ফজরে।
|
অর্থঃ “আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহর তিনিই যিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই।যা দেখা যায়।আর যা দেখা যায় না তার সবকিছু সম্পর্কে তিনি অবগত। তিনি পরম করুণাময় এবং দয়ালু। আল্লাহ তিনিই যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনিই বাদশাহ, মহা-পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, নিরাপত্তা দানকারী,রক্ষক,মহাপরাক্রমশালী,মহাপ্রতাপশালী ও অতি মহিমান্বিত।তারা যা শরিক করে তা থেকে তিনি পবিত্র ও মহান। তিনিই আল্লাহ,স্রষ্টআ,উদ্ভবনকারী ও আকৃতিদানকারী। তাঁর সুন্দর সুন্দর নাম আছে। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁর মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।
১০)সকাল – সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর
১| আয়াতুল কুরসী [সকাল-সন্ধ্যায় একবার ]
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيطَانِ الرَّجِيمِ
বাংলা উচ্চারণঃ আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম।আল্ল-হু লা— ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্কাইয়্যুম,লা- তা’খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম।লাহু মা ফিসসামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াশ ফাউ ইনদাহু— ইল্লা বি ইজনিহ, ইয়া লামু মা বাইনা- আইদীহিম ওয়ামা খলফাহুম, ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি— ইল্লা বিমা শা’—-আ,ওয়াসিয়া কুরসি ইউহুস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়া হুয়াল আলিয়্যূল আযী-ম।{ সুরা আল বাকারাহ;আয়াত ২৫৫ }
অর্থঃ আমি বিতারিত শয়তান থেকে মহান আল্লাহ তা’আলা আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।আল্লাহ,তিনি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক।তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।আকাশ ও ভূমিতে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর।কে আছে এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তার অনুমতি ছাড়া?দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন।তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু তা ব্যতীত – যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন।তাঁর আসন সমস্ত আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবেষ্টিত করে আছে।আর সেগুলোকে ধারণ করা তার পক্ষে কঠিন নয়।তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
[ বুখারী – হা/৫০১০ ]
২। সুরা ইখলাস [সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম।কুল হুয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুছ ছমাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি।বলুন, তিনিই আল্লাহ, একক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি। আর তার সমতুল্য কেউ নেই।
{আবু দাউদ,হা/৫০৮২}
৩। সুরা ফালাক [ সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴾
বাংলা উচ্চারণঃবিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম। কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক । মিন শাররি মা-খালাক।ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি। বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
{আবু দাউদ,হা/৫০৮২; তিরমিযী,হা/৩৫৭৫}
৪ । সু্রা নাস [ সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার ]
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ اِلٰهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ڏ الْخَنَّاسِ الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণঃবিসমিল্লা-হির রহমানির রহীম।কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ। মালিকিন্না-ছ। ইলা-হিন্না-ছ। মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ। আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।
অর্থঃ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করিতেছি। বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা’বুদের তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
{আবু দাউদ,হা/৫০৮২; তিরমিযী,হা/৩৫৭৫}
৫।
«حَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ»
বাংলা উচ্চারণঃ হাসবিয়াল্লা-হু, লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়া, আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুওয়া রব্বুল আরশিল আযীম। [ সকাল -সন্ধ্যায় সাতবার ]
অর্থঃ আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করেছি, তিনি মহান আরশের প্রভু। { সূরা তাওবা;আয়াত-১২৯ }
৬ ।
النَّارِ مِنَ أَجِرْنِى اللَّهُمَّ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা আজিরনী মিনান-নার। [ সকাল -সন্ধ্যায় সাতবার ]
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন। [ আবু দাউদ-হা/৫০৭৯ ; মিশকাত-হা/২৩৯৬ ]
৭ । সায়্যিদুল ইস্তিগফার [সকাল-সন্ধ্যায় একবার ]
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَّا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِر لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, আনতা রব্বী, লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা, খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা আলা-‘আহদিকা ওয়া ওয়া’অ্দিকা মাস্তাত্বা’তু। আ’ঊযু বিকা মিন শাররি মা-সানা’তু, আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী।ফাগফিরলী, ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা-আনতা।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিজ্ঞার উপরে রয়েছি যতটুকু পেরেছি। আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমি যে কর্ম করেছি তার অকল্যাণ থেকে। আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আপনি আমাকে যত নিয়ামত দান করেছেন তা-সহ এবং আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আমার পাপ-সহ।অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, কারন আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না। {বুখারী,হা/৬৩০৬(শামেলা); ৫৮৬৭(ই .ফা.), মিশকাত,হা/২৩৩৫}
৮।
«بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ».(৩ বার)
বাংলা উচ্চারণঃ “বিসমিল্লা-হিল লাযী লা ইয়াদ্ দুররু মা’আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়া লা-ফিস সামা-ই, ওয়া হুওয়াস্ সামী’উল ‘আলীম।”[সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার।]
অর্থঃ “আল্লাহর নামে (আরম্ভ করছি),যার নামের সাথে যমিনে বা আসমানে কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না।আর তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।
{তিরমিযী, হা/ ৩৩৮৮; আবূ দাউদ,হা/ ৫০৮৮;মিশকাত, হা/ ২৩৯১।}
৯।
«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ».
বাংলা উচ্চারণঃ লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন খদীর।[সকাল-সন্ধ্যায় দশবার।]
অর্থঃ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁরই ,আর তিনি সব কিছুই উপর ক্ষমতাবান। {বুখারী,হা/৬৪০৩,৫৯৬১;মুসলিম,হা/২৬৯১,৬৫৯৮; আবূ দাউদ,৫০৭৭; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৬৭}
১০।
«اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُ».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা বিকা আসবা’হনা,ওয়া বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা না’হয়া, ওয়া বিকা না’মূতূ, ওয়া ইলাইকাল নুশূর। [সকালে একবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমার আপনার অনুগ্রহ সকালে উপনীত হয়েছি এবং আপনার অনুগ্রহে আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি। আর আপনার করুণায় আমরা জীবিত থাকি,আপনার ইচ্ছায়ই আমরা মৃত্যুবরণ করি; আর আপনার কাছেই পুনরুত্থিত হব।
১১।
الْمَصِيْرُ وَإِلَيْكَ نَمُوْتُ، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ سَيْنَا، بِكَ أَصْأَمْ وَبِكَ بَحْنَا، أَصْأَمْ بِكَ اَللَّهُمَّ বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা বিকা আমসাইনা, ওয়া বিকা আসবা’হনা, ওয়া বিকা না’হয়া, ওয়া বিকা না’মূতূ, ওয়া ইলাইকাল মাসীর। [সন্ধ্যায় একবার ।]
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমার আপনার অনুগ্রহে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং আপনারই অনুগ্রহে আমরা সকলে উপনীত হয়েছি। আর আপনার করুণায় আমরা জীবিত থাকি, আপনার ইচ্ছায়ই আমরা মৃত্যুবরণ করব; আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তিত হব।
{তিরমিযী,হা/৩৩৯১; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৬৮।}
১২।
«أَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ».
বাংলা উচ্চারণঃ আসবা’হনা আলা-ফিতরতিল ইসলাম, ওয়া আলা-কালিমাতিল ইখলাস, ওয়া আলা-দীনী নাবিয়্যিনা মুহাম্মদিন সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ওয়া আলা-মিল্লাতি আবীনা -ইবরহীমা হানীফাম মুসলিমা। ওয়া মা-কা-না মিনাল মুশরিকীন।[ সকাল একবার।]
অর্থঃ আমরা সকাল যাপন করেছি ইসলামের প্রকৃতির উপর, ইখলাসের বণী (তাওহীদ)-এর ওপর এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্মের ওপর ও আমাদের পিতা ইব্রাহিমের আদর্শের ওপর -যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম, তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
১৩ ।
عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَ».
বাংলা উচ্চারণঃ আমসাইনা আলা-ফিতরতিল ইসলাম, ওয়া আলা-কালিমাতিল ইখলাস, ওয়া আলা-দীনী নাবিয়্যিনা মুহাম্মদিন সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ওয়া আলা-মিল্লাতি আবীনা -ইবরহীমা হানীফাম মুসলিমা। ওয়া মা-কা-না মিনাল মুশরিকীন।[সকাল-সন্ধ্যায় একবার।]
অর্থঃ আমরা সন্ধ্যায় যাপন করেছি ইসলামের প্রকৃতির উপর, ইখলাসের বণী (তাওহীদ)-এর ওপর এবং আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ধর্মের ওপর ও আমাদের পিতা ইব্রাহিমের আদর্শের ওপর -যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম, তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
{আহমাদ,১৫৩৬৩(শামেলা):মুসনাদে আবদুর রহমান ইবনে আবযা।}
১৪ ।
«يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ».
বাংলা উচ্চারণঃ ইয়া-‘হাইয়্যু ইয়া-ক্বাইয়ূ-মু, বির’হমাতিকা আসতাগি-ছু, আছলি’হ লী -শা’নী -কুল্লাহু , ওয়া লা তাকিলনী ইলা- নাফসী ত্বফাতা আইন। [সকাল -সন্ধ্যায় একবার।]
অর্থঃ “হে চিরঞ্জীব!,হে মহারক্ষক ও অমুখাপেক্ষী তত্ত্বাবধায়ক, আপনার রহমতের ওসীলা দিয়ে ত্রাণ প্রর্থনা করছি। আপনি আমার সকল বিষয় কে সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করুন। আর আমাকে একটি মুহূর্তের জন্যও, চোখের পলকের জন্যেও আমার নিজের দায়িত্বে ছেড়ে দিবেন না। {আলবানী, সহীহুত তারগীব১/৩৪৫;মুসতাদরাক হাকিম ১/৭৩০}
১৫।
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ».
বাংলা উচ্চারণঃ “সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহী, ‘আদাদা খলক্বিহী, ওয়ারিদ্বা -নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহ। [সকালে তিনবার।]
অর্থঃ “আমি আল্লাহর প্রসংসাসহ পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান, তাঁর নিজের সন্তোষের সমান, তাঁর আরশের ওজনের সমান ও তাঁর বানীসমূহ লেখার কালি সমপরিমাণ
{মুসলিম,হা/২৭২৬(শামেলা),৬৬৬৫(ই.ফা.)}
১৬।
«أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ».
বাংলা উচ্চারণঃ “আ’উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি, মিন শাররি মা খলাক্ব।[সন্ধ্যায় তিনবার।]
অর্থঃ আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।
{ইবনে মাজাহ,হা/৩৫১৮; মুসলিম,হা/৭০৫৫; মিশকাত,হা/২৪২২-২৩।}
১৭।
«رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاً».
বাংলা উচ্চারণঃ রদ্বীতু বিল্লা-হি রব্বান, ওয়াবিল ইসলা-মি দীনান, ওয়া বিমু’হাম্মাদিন নাবিয়্যা ।[সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার।]
অর্থঃ আমি সন্ত্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন ও মুহাম্মদ {সা}-কে নবীরূপে গ্রহণ করেছি।
{আবূ দাউদ,হা/৫০৭২; ইবনে মাজাহ,হা/৩৮৭০।}
১৮।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْماً نَافِعاً، وَرِزْقاً طَيِّباً، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاً».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি’আন, ওয়া রিযক্বান ত্বইয়্যিবান, ওয়া আমালাম মুতাক্বাব্বালান। [সকালে একবার।]
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান এবং হালাল রিযিক ও কবুলযোগ্য আমল চাই।
{ইবনে মাজাহ,হা/৯২৫।}
১৯।
«سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ»
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হি ওয়া বি’হামদিহি। [সকাল -সন্ধ্যায় একশতবার।]
অর্থঃ “ঘোষণা করছি আল্লাহর পবিত্রতা, তাঁর প্রসংসাসহ।”
{বুখারী,হা/৬২২৫; মুসলিম,হা/২৬৯২।}
২০।
وَبِحَمْدِهِ الْعَظِيم اللَّه سُبْحَانَ
বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা-নাল্লা-হিল ‘আযীম ওয়া বি’হামদিহী।[সকাল-সন্ধ্যায় একশতবার।]
অর্থঃ আমি মহামহিমান্বিত আল্লাহ তা’আলা পবিত্রতা ও প্রসংসা ঘোষণা করছি।
{ আবূ দাউদ,হা/৫০৯১।}
২১।
اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى-
বাংলা উচ্চারণঃ “আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল হুদা ওয়াত তুকা ওয়াল “আফা-ফা ওয়াল গিনা”।[সকাল -সন্ধ্যায় একবার।]
অর্থঃ “হে আল্লাহ! তোমরা কাছে আমি হিদায়াত, তাকওয়া, চারিত্রিক নির্মলতা ও আত্ননির্ভরশীলতা প্রার্থনা করি।
{বুখারী ও মুসলিম -৬৭৯৭।}
২২।
اللَّهُمَّ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ
বাংলা উচ্চারণঃ ইয়া মুকল্লিবাল ক্বলূব ছাব্বিত ক্বলবী আলা দ্বীনিক । [সকাল -সন্ধ্যায় একবার]
অর্থঃ “হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, সুপ্রতিষ্ঠিত-স্থির রাখুন আমার অন্তরকে আপনার দীনের উপর। { তিরমিযী,হা/২০৬৬।}
২৩।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ: فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল’ আফওয়া ওয়াল আ-ফিয়্যাতা ফিদ্ দুনইয়া- ওয়াল আ-খিরতি। আল্লাহুম্মা ,ইন্নী আসআলুকাল ‘ আফওয়া ওয়াল আ-ফিয়্যাতা ফী দীনী ওয়া দুনইয়াই-য়া, ওয়া আহলী ওয়া মালী। আল্ল-হুম্মাস-তুর ‘আউর-তী ওয়া আ-মিন রাউ’আ-তী। আল্ল-হুম্মাহ্ ফাযনী মিম বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খলফী, ওয়া আন ইয়ামীনী ওয়া ‘আন শিমালী, ওয়া মিন ফাউক্বী। ওয়া আ’ঊযু বি’আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী । [ সকাল -সন্ধ্যায় একবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে ক্ষমা ও সার্বিক সুস্হতা-নিরাপত্তা দুনিয়াতে এবং আখিরাতে।হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই ক্ষমা ও সার্বিক সুস্হতা-নিরাপত্তা আমার দ্বীনের মধ্যে, আমার দুনিয়াবী বিষয়ের মধ্যে, আমার পরিবার আপনি পরিজনের মধ্যে ও আমার সম্পদের মধ্যে।হে আল্লাহ, আমার দোষত্রুটি গুলো গোপন করুণ এবং আমার ভয়ভীতিকে নিরাপত্তা দান করুন।হে আল্লাহ, আপনি আমাকে হেফাজত করুন আমার সামনে থেকে, আমার পিছন থেকে, আমার ডান দিক থেকে, আমার বাম দিক থেকে, আমার উপর থেকে এবং আমি আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় গ্রহণ করছি যে, আমার নিম্ন দিক থেকে আক্রান্ত হওয়া থেকে। { আবূ দাউদ,হা/৫০৭৪; মিশকাত,হা/২৩৯৭; ইবনে মাজাহ,হা/ ৩৮৭১।}
২৪।
«اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي
فِي بَصَرِي، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ».
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্ল-হুম্মা আ-ফিনী ফী সাম’য়ী, আল্ল-হুম্মা আ-ফিনী ফী বাসারী।লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা।আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযু বিকা মিনাল আযা-বিল কবরি।লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা।[সকাল -সন্ধ্যায় তিনবার।]
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমার দেহে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন।হে আল্লাহ! আমার শ্রবণযন্ত্রে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন। হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টি শক্তিতে আমাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা -নিরাপত্তা দান করুন। আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই।হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে অবিশ্বাস ও দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। {আবু দাউদ, হা/ ৫০৯০ (শামেলা),৫০০২(ই.ফা.)।}
২৫।
«أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ».
বাংলা উচ্চারণ: আসবা‘হনা- ওয়া আসবা‘হাল মুলকু লিল্লা-হ। আল‘হামদু লিল্লা-হ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু, লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি, আসআলুকা খাইরা মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহু। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শার্রি মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহু। রাব্বি, আ‘ঊযু বিকা মিনাল কাসালি, ওয়া সূইল কিবার। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি, ওয়া ‘আযা-বিন ফিল ক্বাবর।[সকালে একবার]
অর্থ: “সকাল হলো, আমাদের জীবনে, আমরা ও সকল বিশ্বরাজ্যে সবকিছু আল্লাহর জন্যই দিনের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আমার প্রভু, আমি আপনার কাছে চাইছি এই দিবসের মধ্যে যত কল্যাণ ও মঙ্গল রয়েছে এবং এই দিবসের পরে যত কল্যাণ রয়েছে তা সবই। এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে যা এই দিবসের মধ্যে রয়েছে এবং এই দিবসের পরে রয়েছে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি অলসতা থেকে ও বার্ধক্যের খারাপি থেকে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থাকে। {মিশকাত,হা/২৩৮১।}
২৬।
أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ».
বাংলা উচ্চারণ: আমসাইনা -ওয়া আমসাল মুলকু লিল্লা-হ। আল‘হামদু লিল্লা-হ। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়া‘হদাহু, লা- শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল ‘হামদু, ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রাব্বি, আসআলুকা খাইরা মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহু। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শার্রি মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি, ওয়া শার্রি মা- বা‘দাহু। রাব্বি, আ‘ঊযু বিকা মিনাল কাসালি, ওয়া সূইল কিবার। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি, ওয়া ‘আযা-বিন ফিল ক্বাবর।[সন্ধ্যায় একবার]
অর্থ: “সন্ধ্যা হলো, আমাদের জীবনে, আমরা ও সকল বিশ্বরাজ্যে সবকিছু আল্লাহর জন্যই দিনের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। হে আমার প্রভু, আমি আপনার কাছে চাইছি এই দিবসের মধ্যে যত কল্যাণ ও মঙ্গল রয়েছে এবং এই দিবসের পরে যত কল্যাণ রয়েছে তা সবই। এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অমঙ্গল ও অকল্যাণ থেকে যা এই দিবসের মধ্যে রয়েছে এবং এই দিবসের পরে রয়েছে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি অলসতা থেকে ও বার্ধক্যের খারাপি থেকে। হে আমার প্রভু, আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি জাহান্নামের শাস্তি থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে ।
{মিশকাত,হা/২৩৮১;মুসলিম,হা/২৭২৩,৬৬৬০; তিরমিযী,হা/৩৩৯০,৬৫৯৯।}
২৭।
«اللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ» (৪ বার).
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসবা’হতু উশহিদুকা ওয়া উশহিদু ‘ হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতাকা ওয়া জামী’আ খলকিকা, বিআন্নাকা আনতাল্ল-হু লা ইলা-হা ইল্লা -আনতা ওয়া’হদাকা লা -শারীকা লাকা ওয়া আন্না মু’হাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রসূলুক। [সকাল চারবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আপনারকে সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশবহনকারীদেরকে এবং আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে,(এই মর্মে) যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোন শরীক নেই;আর মুহাম্মদ {সা} আপনার বান্দা ও রাসূল।
{আবু দাউদ,হা/৫০৬৯(শামেলা)}
২৮ ।
«اُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ»
বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আমসাইতু উশহিদুকা ওয়া উশহিদু ‘ হামালাতা ‘আরশিকা ওয়া মালা-ইকাতাকা ওয়া জামী’আ খলকিকা, বিআন্নাকা আনতাল্ল-হু লা ইলা-হা ইল্লা -আনতা ওয়া’হদাকা লা -শারীকা লাকা ওয়া আন্না মু’হাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রসূলুক । [ সন্ধ্যায় চারবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ, আমি সন্ধায় উপনীত হয়েছি। আপনারকে সাক্ষী রাখছি, আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশবহনকারীদেরকে এবং আপনার ফেরেশতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টিকে,(এই মর্মে) যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোন হক ইলাহ নেই, আপনার কোন শরীক নেই;আর মুহাম্মদ {সা} আপনার বান্দা ও রাসূল।
{আবু দাউদ,হা/৫০৬৯(শামেলা)}
২৯ ।
বাংলা উচ্চারণ : “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদিউ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মদিম, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা, ওয়া আলা আলি ইবরাহিমা, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।”[সকাল -সন্ধ্যায় দশবার।]
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মদ ওমুহামাদের পরিজনের প্রতি রহমত বর্ষণ কর যেভাবে রহমত বর্ষণ করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি।নিশ্চয় তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত।হে আল্লাহ! তুমি বরকত নাজিল কর মুহাম্মদ ও মুহাম্মদের পরিজনের প্রতি যেভাবে রহমত নাজিল করেছ ইব্রাহীম ও ইব্রাহিমের পরিজনের প্রতি। নিশ্চয়ই তুমি প্রসংসিত ও সম্মানিত {বুখারী,হ/৩৩৭০; মুসলিম,হা/৪০৬}
৩০।
اللهم اني قد تصدقت بعرضي على عبادتك
বাংলা উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, ইন্নী কাদ তাসাদ্দাকতু বি ‘ইরদী ‘আলা- ‘ইবাদিকা। সকালে একবার।
অর্থঃ “হে আল্লাহ, আমি আমার সম্মানকে আপনার বান্দাগণের জন্য দান করে দিলাম।” {আবূ দাউদ,হা/৪৮৮৬।}
৩১।
বাংলা উচ্চারণঃ লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থঃ
৩২। ফজরের পরে ও আসরের পরে একশত বার।
“سبحان الله”
“সুব’হানাল্ল-হ”, অর্থঃ আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।
“ الحمد لله”
“আল-‘হামদুলিল্লাহ”, অর্থঃ সকল প্রসংসা আল্লাহর।
“الله أكبر”
“আল্ল-হু আকবার”, অর্থঃ আল্লাহ সবচেয়ে মহান।
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
“লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু লা-শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর।”(অথবা একশত বার”লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু”।) {তিরমিযী,হা/৩৪৭১।}
অর্থ: ” আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি একক , তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।”
৩৩। সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত।[ সকাল -সন্ধ্যায় একবার]
বাংলা উচ্চারণঃ আ’ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম। আ-মানার রসূল বিমা উংযিলা ইলাইহি মির-রব্বিহী ওয়াল মু’মিনূ-ন। কুললুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা -ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসূলিহী -লা -নুফার রিকু বাযইনা আহাদিম মির রুসূলিহ। ওয়া ক্ব-লূ -সামি’না -ওয়া আত্বা’না গুফর-নাকা রব্বানা – ওয়া ইলাইকাল মাছীর। লা ইউ কাল্লিফুল্লহু নাফসান ইল্লা উস’-আহা। লাহা -মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাক তাসাবাত । রব্বানা লা তু আখিযনা -ইন্না সীনা আও আখত্ব’না । রব্বানা -ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইছরন কামা হামালতাহূ আলাল্লাযী -না মিন ক্ববলিনা । রব্বানা -ওয়া লা তুহাম্মিলনা -মা লা ত্ব-ক্ব-তা লানা বিহ্,।ওয়া’ফু ‘আন্না -ওয়াগ ফিরলানা -ওয়ার হামনা । আংতা মাওলা-না ,ফানছুরনা আলাল ক্বওমিল কাফিরী-ন।
অর্থঃ রাসূল তার প্রভুর পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান এনেছে এবং মু’মিনগণ । প্রত্যেকেই ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর তার ফেরেশতাগণ , তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলেঃআমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি।হে আমাদের পালনকর্তা! আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন দায়িত্ব চাপিয়ে দেননা যা তার সাধ্যাতীত।সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা!যদি আমরা ভূলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর করেছ। হে আমাদের প্রভু! আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিয়েন না,যা বহণ করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন করুন। আমাদেরকে ক্ষমা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনি আমাদের প্রভু।সুতরা কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।
[সূরা আল বাকারা আয়াত ২৮৫-২৮৬]
৩৪ । সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত। [সকাল -সন্ধায় একবার]
বাংলা উচ্চারণঃ আ’উযু বিল্লাহিস সামীয়িল আলিমি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম। তিনবার।
হুওয়াল্লা হুল্লাজি লা-ইলা-হা ইল্লা-হু আলিমূল গইবি ওয়াস শাহাদাতি হুয়ার রহমানুর রহিম। হুওয়াল্লা হুল্লাজি লা-ইলা-হা ইল্লা-হু আল মালিকূল কূদ্দুছুছ ছালামূল মুউমিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। সুবহানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকূন।হুওয়াল্লাহুল খলিকূল বারিয়ূল মূছাব্বিরু লাহুল আছমাঊল হুছনা ইউছাব্বিহু লাহু মা ফিচ্ছামাওয়াতি ওয়াল আরদ ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।[সকাল -সন্ধ্যায় একবার]
অর্থঃ “আমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। আল্লাহর তিনিই যিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই।যা দেখা যায়।আর যা দেখা যায় না তার সবকিছু সম্পর্কে তিনি অবগত। তিনি পরম করুণাময় এবং দয়ালু। আল্লাহ তিনিই যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনিই বাদশাহ, মহা-পবিত্র, ত্রুটিমুক্ত, নিরাপত্তা দানকারী,রক্ষক,মহাপরাক্রমশালী,মহাপ্রতাপশালী ও অতি মহিমান্বিত।তারা যা শরিক করে তা থেকে তিনি পবিত্র ও মহান। তিনিই আল্লাহ,স্রষ্টআ,উদ্ভবনকারী ও আকৃতিদানকারী। তাঁর সুন্দর সুন্দর নাম আছে। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁর মহিমা ঘোষণা করে। তিনি মহাপরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।
ইস্তিগফার:
১।
اللهَ أَستَغْفِرُ
উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লা-হ।
অর্থ: আমি আল্লাহ কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি।
২ ।
إِلَيْهِ وَأَتُوْبُ اللهَ أَسْتَغْفِرُ
বাংলা উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ:আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
৩ ।
- التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ (أنْتَ) رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ
বাংলা উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী ,ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রহীম।
অর্থ: হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তওবা কবুলকারী করুনাময়।
৪ ।
বাংলা উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হাল্ (‘আযীমাল) লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা-হুআল হাইউল কাইউমু ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি মহান আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও সর্ব সংরক্ষক এবং তাঁর কাছে তওবা করছি।
৫ ।
বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী, লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা, খালাক্বতানী, ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়া’অ্দিকা মাস তাতা’অ্তু । আ’ঊযু বিকা মিন শাররি মা-স্বানা’তু, আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী। ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা-আনতা।
অর্থ:হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রতিপালক, আপনি ছাড়া কোনো হক ইলাহ নেই।আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা । আর আমি আমার সাধ্যানুযায়ী আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির ওপর রয়েছি। আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। আমার প্রতি আপনার প্রদত্ত নিয়ামত স্বীকার করছি।আর আপনার কাছে আমার পাপকর্মেরও স্বীকারোক্তি দিচ্ছি। অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না।
