اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ “পড় তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।” 📚 সূরা আলাক (৯৬:১)
আপডেট

দোআ, কুরআনের আয়াত, শিক্ষামূলক

১)
আয়াতুল কুসরী- [সকাল-বিকাল ১ বার করে]

اَللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَۚ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ۬ۚ لَا تَاۡخُذُهٗ سِنَۃٌ وَّ لَا نَوۡمٌ ؕ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَهٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِهٖ ؕ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡهِمۡ وَ مَا خَلۡفَهُمۡ ۚ وَ لَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِهٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ کُرۡسِیُّهُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ ۚ وَ لَا یَـُٔوۡدُهٗ حِفۡظُهُمَا ۚ وَ هُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ ﴿۲۵۵﴾

বাংলা উচ্চারণ: আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহূ মা ফিস্ সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ’ ই’ন্দাহূ ইল্লা বিইজনিহি। ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতূনা বিশাইয়্যিম্ মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ’ ওয়াসিআ’ কুরসিইয়্যুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়াউ’দুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল আ’জিম। (সূরা আল-বাক্বারা আয়াত-২৫৫)।

অর্থ: আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোনো তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তারই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতিত এমন কে আছে যে, তাঁর নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন তা ব্যতিত। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলোর তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান’।

সুরা বাক্বাবাহ-২৫৫, ছহীহ বুখারী হা/৫০১০, ইবনু খুযাইমাহ হা/২৪২৪, ছহীহ তারগীব হা/১৫৯৫, নাসায়ী কুবরা হা/৯৯২৮, সিলসিলা ছহীহা হা/৯৭২, ত্বাবারানী হা/৭৫৩২, সহীহুর জামে হা/৬৪৬৪, সুনান আবু দাউদ (ই.ফা.) অধ্যায়-২ সালাত (নামায)হা/১৪৬০, আহকামুল জানা-ইয হা/২১২, মুসলিম, তিরমিজী হা/২৮৭৭, মুস্তাদরাকে হাকমি হা/২১০৩, মুসনাদে আহমদ হা/২১৬০২)
২)
৩ ক্বল (৩ বার) সূরা ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস [সকাল-বিকাল ৩ বার করে]:
৭৬-(২) بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۝ۚ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۝ۚ لَمْ يَلِدْ ڏ وَلَمْ يُوْلَدْ ۝ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ۝ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণ: বসিমল্লিাহরি রাহমানরি রাহীম (ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালদি ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ)।
অর্থ: রহমান, রহীম আল্লাহর নাম। “বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বতিীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপক্ষেী নন, সকলইে তাঁর মুখাপক্ষেী)। তিনি কাউকেও জন্ম দনে নি এবং তাঁকওে জন্ম দেয়া হয় নি।  আর তাঁর সমতুল্য কউেই নইে।”
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۝ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۝ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَ ۝ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِي الْعُقَدِ ۝ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ۝﴾
বাংলা উচ্চারণ: বসিমল্লিাহরি রাহমানরি রাহীম (ক্বুল আ‘উযু বরিব্বলি ফালাক্ব। মনি শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মনি শাররি গা-সক্বিনি ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মনি শাররনি নাফফা-সা-তি ফলি ‘উক্বাদ। ওয়া মনি শাররি হা-সদিনি ইযা হাসাদ)।
অর্থ: রহমান, রহীম আল্লাহর নাম।ে “বলুন, আমি আশ্রয় র্প্রাথনা করছি ঊষার রবরে। তনিি যা সৃষ্টি করছেনে তার অনষ্টি হত।ে ‘আর অনষ্টি হতে রাতরে অন্ধকাররে, যখন তা গভীর হয়। আর অনষ্টি হতে সমস্ত নারীদরে, যারা গরিায় ফুঁক দয়ে। আর অনষ্টি হতে হংিসুকরে, যখন সে হংিসা কর।ে”
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ۝ ﴿قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۝ مَلِكِ النَّاسِ ۝ اِلٰهِ النَّاسِ ۝ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ڏ الْخَنَّاسِ ۝ الَّذِيْ يُوَسْوِسُ فِيْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۝ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۝ۧ﴾
বাংলা উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম (ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।)।

অর্থ: রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। “বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।”
ফযিলতঃ
রাসূল বললেন, যে ব্যক্তি সকাল ও বিকালে ‘সূরা ইখলাস’, ‘সূরা ফালাক’ ও ‘সূরা নাস’ তিনবার করে পড়বে, এটাই আপনার সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে। আবূ দাউদ ৪/৩২২, নং ৫০৮২; তিরমিযী ৫/৫৬৭, নং ৩৫৭৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮২।

৩)
সাইয়দেুল ইস্তগেফার: [সকাল-বিকাল ১ বার করে]
৭৯-(৫) ্রاللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنوبَ إِلاَّ أَنْتَগ্ধ.
বাংলা উচ্চারণ: (আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা ইলা-হা ইল্লা আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা ‘আব্দুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্বা‘তু। আ‘উযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবূউ[৯] লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী। ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা)।

অর্থ: “হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব্ব, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আর আমি আমার সাধ্য মতো আপনার (তাওহীদের) অঙ্গীকার ও (জান্নাতের) প্রতিশ্রুতির উপর রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনি আমাকে আপনার যে নিয়ামত দিয়েছেন তা আমি স্বীকার করছি, আর আমি স্বীকার করছি আমার অপরাধ। অতএব আপনি আমাকে মাফ করুন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করে না।”[১০]

আদাবুল মুফরাদ হা/৬১৭, ছহীহ বুখারী হা/৬৩০৬, ছহীহ আবু দাউদ হা/৫০৭০, ইব্নু মাজাহ হা/৩৮৭২, তিরমিযী হা/৩৩৯৩, নাসায়ী হা/৫৫২২, মিশকাত হা/২৩৩৫ তওবা ও ইস্তিগ্ফার অনুচ্ছেদ।

৪)

৯৮-(২৪) ্রاللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبَيِّنَا مُحَمَّدٍগ্ধ.
[সকাল-বকিাল ১০ বার কর]ে
(আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লমি ‘আলা নাবয়্যিনিা মুহাম্মাদ) [সকাল-বকিাল ১০ বার কর]ে
৯৮-(২৪) “হে আল্লাহ! আপনি সালাত ও সালাম পশে করুন আমাদরে নবী মুহাম্মাদরে উপর।” [সকাল-বকিাল ১০ বার কর]ে[৩৫]
(আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লমি ‘আলা নাবয়্যিনিা মুহাম্মাদ) [সকাল-বকিাল ১০ বার কর]ে
৯৮-(২৪) “হে আল্লাহ! আপনি সালাত ও সালাম পশে করুন আমাদরে নবী মুহাম্মাদরে উপর।” [সকাল-বকিাল ১০ বার কর]ে[৩৫]
(মাজমা‘উয যাওয়ায়দে ১০/১২০; সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৭৩)

৫) [সকাল-বিকাল ১০ বার করে]

৯২-(১৮) ্রلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌগ্ধ.(১০ বার)

(লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর)। (১০ বার)

৯২-(১৮) “একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নইে, তাঁর কোনো শরীক নইে, রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর, আর তনিি সকল কছিুর উপর ক্ষমতাবান।”
(১০ বার)[২৮]

[২৮] নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৪। আরও দখেুন, সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব, ১/২৭২; ইবন বায, তুহফাতুল আখইয়ার পৃ. ৪৪। এর ফযীলতরে ব্যাপারে আরও দখেন, পৃ. হাদীস নং ২৫৫।

৬) [সকাল-বিকাল ৭ বার করে]
النَّارِ مِنَ أَجِرْنِى اللَّهُمَّ

বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজরিনি মনিান নার। (সাত বার)
বাংলা র্অথ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামরে আগুন থকেে মুক্তি দাও”
[আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হব্বিান-২০২২]
আল্লাহুম্মা আজরিনি মনিান নার।”ফজলিত : হজরত মুসলমি ইবনে হারসে তামমিি [রা.] বলনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কানে কানে বললনে, যখন মাগরবিরে নামাজরে সালাম ফরোব,ে তখন কারো সঙ্গে কথা বলার আগে এই দোয়াটি সাত বার পড়ব।ে যদি তুমি পড় আর ওই রাতইে তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জাহান্নাম থকেে মুক্তরি ফায়সালা লখিে দয়ো হব।ে ফজররে নামাজরে পরও এ দোয়াটি একই নয়িমে সাতবার পড়ব।ে যদি তুমি পড়ে থাক আর ওই দনিইে তুমি মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম থকেে মুক্তরি ফায়সালা লখিে দয়ো হব।ে [আবু দাউদ-৫০৮১ নাসায়ি সুনানে কুবরা-৯৯৩৯ সহি ইবনে হব্বিান-২০২২] আরবি দােআ : সাত বার اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজরিনি মনিান নার। বাংলা র্অথ : “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামরে আগুন থকেে মুক্তি দাও”
আল্লাহুম্মা আজরিনি মনিান নার।” ফজলিত: যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরবিরে নামাজ শষেে ‘আল্লাহুম্মা আজরিনি মনিান্নার’ সাতবার পাঠ করবে সে যদি ওই রাতে বা দনিে মারা যায় তাহলে অবশ্যই জাহান্নাম থকেে নাজাত পাবে
৮) [সকাল-বিকাল ৭ বার করে]

৮৩-(৯) ্রحَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ
الْعَظِيمِগ্ধ (৭ বার).
(হাসবয়িাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল ‘আরশলি ‘আযীম) (৭ বার)
৮৩-(৯) “আল্লাহই আমার জন্য যথষ্টে, তনিি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নইে। আমি তাঁর উপরই ভরসা কর।ি আর তনিি মহান আরশরে রব্ব।”[১৬] (৭ বার)

[১৬] যে ব্যক্তি দো‘আটি সকালবলো সাতবার এবং বকিালবলো সাতবার বলবে তার দুনয়িা ও আখরোতরে সকল চন্তিাভাবনার জন্য আল্লাহ্ই যথষ্টে হবনে। ইবনুস সুন্নী, নং ৭১, মারফূ‘ সনদ;ে আবূ দাউদ ৪/৩২১; মাওকূফ সনদ,ে নং ৫০৮১। আর শাইখ শু‘আইব ও আব্দুল কাদরে আরনাঊত এর সনদকে সহীহ বলছেনে। দখেুন, যাদুল মা‘আদ ২/৩৭৬।
৯) [সকাল-বিকাল ৩ বার করে]

৮৬-(১২) ্রبِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُগ্ধ.(৩ বার)
(বস্‌িমল্লিা-হল্লিাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মহিী শাইউন ফল্ িআরদ্বি ওয়ালা ফস্ িসামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম)। (৩ বার)
৮৬-(১২) “আল্লাহ্‌র নাম;ে যাঁর নামরে সাথে আসমান ও যমীনে কোনো কছিুই ক্ষতি করতে পারে না। আর তনিি র্সবশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।”[১৯] (৩ বার)
[১৯] যে ব্যক্তি সকালে তনিবার এবং বকিালে তনিবার এটি বলব,ে কোনো কছিু তার ক্ষতি করতে পারবে না। আবূ দাউদ, ৪/৩২৩, নং ৫০৮৮; তরিমযিী, ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৮; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৬৯; আহমাদ, নং ৪৪৬। আরও দখেুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩৩২। আর আল্লামা ইবন বায রাহমিাহুল্লাহ তাঁর ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ গ্রন্থরে ৩৯ পৃষ্ঠায় এটার সনদকে হাসান বলছেনে।

১০) [সকাল-বিকাল ৩ বার করে]

৮২-(৮) ্রاللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي
فِي بَصَرِي، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ. اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ، وَالفَقْرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَগ্ধ (৩ বার).
(আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফনিী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফনিী ফী সাম্‘ঈ আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফনিী ফী বাসারী। লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বকিা মনিাল কুফরি ওয়াল-ফাক্বরি ওয়া আ‘উযু বকিা মনি ‘আযা-বলি ক্বাবর,ি লা ইলাহা ইল্লা আন্‌তা)। (৩ বার)
৮২-(৮) “হে আল্লাহ! আমাকে নরিাপত্তা দনি আমার শরীর।ে হে আল্লাহ! আমাকে নরিাপত্তা দনি আমার শ্রবণশক্ততি।ে হে আল্লাহ! আমাকে নরিাপত্তা দনি আমার দৃষ্টশিক্ততি।ে আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নইে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কুফরি ও দারদ্র্যি থকে।ে আর আমি আপনার আশ্রয় চাই কবররে আযাব থকে।ে আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নইে।”[১৫] (৩ বার)

[১৫] আবূ দাউদ ৪/৩২৪, নং ৫০৯২; আহমাদ ৫/৪২, নং ২০৪৩০; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল্লাইলাহ, নং ২২; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৯; বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭০১। আর শাইখ আল্লামা ইবন বায রাহমিাহুল্লাহ ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ গ্রন্থরে পৃ. ২৬ এ এর সনদকে হাসান বলছেনে।

১১) [সকাল-বিকাল ৩ বার করে]

৯৪-(২০) ্রسُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ: عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِগ্ধ.(৩ বার)
(সুব্‌হা-নাল্লা-হি ওয়া বহিামদহিী ‘আদাদা খালক্বহিী, ওয়া রদিা নাফসহিী, ওয়া যনিাতা ‘আরশহিী, ওয়া মদিা-দা কালমিা-তহিী)। (৩ বার)
৯৪-(২০) “আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবত্রিতা ও মহমিা ঘোষণা করছ—ি তাঁর সৃষ্ট বস্তুসমূহরে সংখ্যার সমান, তাঁর নজিরে সন্তোষরে সমান, তাঁর আরশরে ওজনরে সমান ও তাঁর বাণীসমূহ লখোর কালি পরমিাণ (অগণতি অসংখ্য)”।[৩১] (৩ বার)
(মুসলমি ৪/২০৯০, নং ২৭২৬)

১২)

[সকাল-বিকাল ৩ বার করে]

৮৭-(১৩) ্রرَضِيتُ بِاللَّهِ رَبَّاً، وَبِالْإِسْلاَمِ دِيناً، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيّاًগ্ধ.(৩ বার)
(রদ্বীতু বল্লিা-হি রব্বান, ওয়াবলি ইসলা-মি দ্বীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদনি সাল্লাল্লা-হু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামা নাবয়্যিান)। (৩ বার)
৮৭-(১৩) “আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবীরূপে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।”[২০] (৩ বার)

[২০] যে ব্যক্তি এ দো‘আ সকাল ও বকিাল তনিবার করে বলব,ে আল্লাহর কাছে তার অধকিার হয়ে যায় তাকে কয়িামাতরে দনি সন্তুষ্ট করা। আহমাদ ৪/৩৩৭; নং ১৮৯৬৭; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৪; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৮; আবু দাউদ, ৪/৩১৮, নং ১৫৩১; তরিমযিী ৫/৪৬৫, নং ৩৩৮৯। আর ইবন বায রাহমিাহুল্লাহ ‘তুহফাতুল আখইয়ার’ এর ৩৯ পৃষ্ঠায় একে হাসান বলছেনে।

১৩)
[সকাল-বিকাল ১ বার করে]
৮৪-(১০) ্রاللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ: فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي، وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَينِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِيগ্ধ.
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল- ‘আ-ফয়িাতা ফদ্দিুনইয়া ওয়াল আ-খরিাত।ি আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল-‘আ-ফয়িাতা ফী দ্বীনী ওয়াদুনইয়াইয়া, ওয়া আহ্‌লী ওয়া মা-লী, আল্লা-হুম্মাসতুর ‘আওরা-তী ওয়া আ-মনি রাও‘আ-ত।ি আল্লা-হুম্মাহফাযনী মম্বিাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মনি খালফী ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া শমিা-লী ওয়া মনি ফাওকী। ওয়া আ‘ঊযু ব‘িআযামাতকিা আন উগতা-লা মনি তাহ্‌তী)।
৮৪-(১০) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নকিট দুনয়িা ও আখরোতে ক্ষমা ও নরিাপত্তা র্প্রাথনা করছ।ি হে আল্লাহ! আমি আপনার নকিট ক্ষমা এবং নরিাপত্তা চাচ্ছি আমার দ্বীন, দুনয়িা, পরবিার ও র্অথ-সম্পদরে। হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটসিমূহ ঢকেে রাখুন, আমার উদ্বগ্নিতাকে রূপান্তরতি করুন নরিাপত্তায়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে হফোযত করুন আমার সামনরে দকি থকে,ে আমার পছিনরে দকি থকে,ে আমার ডান দকি থকে,ে আমার বাম দকি থকেে এবং আমার উপররে দকি থকে।ে আর আপনার মহত্ত্বরে অসলিায় আশ্রয় চাই আমার নীচ থকেে হঠাৎ আক্রান্ত হওয়া থকে”ে।[১৭]

[১৭] আবূ দাউদ, নং ৫০৭৪; ইবন মাজাহ্, নং ৩৮৭১। আরও দখেুন, সহীহ ইবন মাজাহ্ ২/৩৩২।

১৪)
[সকাল-বিকাল ১ বার করে]
৮৮-(১৪) ্রيَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغيثُ أَصْلِحْ لِي شَأْنِيَ كُلَّهُ وَلاَ تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍগ্ধ.
(ইয়া হাইয়্যু ইয়া ক্বাইয়্যূমু বরিহ্‌মাতকিা আস্তাগীসু, আসলহ্‌ি লী শা’নী কুল্লাহু, ওয়ালা তাকলিনী ইলা নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন)।
৮৮-(১৪) “হে চরিঞ্জীব, হে চরিস্থায়ী! আমি আপনার রহমতরে অসীলায় আপনার কাছে উদ্ধার কামনা কর,ি আপনি আমার র্সাবকি অবস্থা সংশোধন করে দনি, আর আমাকে আমার নজিরে কাছে নমিষেরে জন্যও সোর্পদ করবনে না।”[২১]

[২১] হাকমে ১/৫৪৫, তনিি হাদীসটকিে সহীহ বলছেনে, আর যাহাবী তা সর্মথন করছেনে। আরও দখেুন, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব ১/২৭৩।

১৫)
[সকাল-বিকাল ১ বার করে]

৮৫-(১১) ্রاللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطانِ وَشَرَكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءاً، أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍগ্ধ.
(আল্লা-হুম্মা আ-লমিাল গাইবি ওয়াশ্‌শাহা-দাতি ফা-ত্বরিাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব,ি রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বকিা মনি শাররি নাফ্‌সী ওয়া মনি শাররশি শাইত্বা-নি ওয়াশরিকহিী/ওয়াশারাকহিী ওয়া আন আক্বতারফিা ‘আলা নাফ্‌সী সূওআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলমি)।
৮৫-(১১) “হে আল্লাহ! হে গায়বে ও উপস্থতিরে জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনরে স্রষ্টা, হে সব কছিুর রব্ব ও মালকি! আমি সাক্ষ্য দচ্ছিি য,ে আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নইে। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনষ্টি থকে,ে শয়তানরে অনষ্টিতা থকেে ও তার শর্কি বা তার ফাঁদ থকে,ে আমার নজিরে উপর কোনো অনষ্টি করা, অথবা কোনো মুসলমিরে দকিে তা টনেে নওেয়া থকে।ে”[১৮]
১৬)

৯৫-(২১) ্রاللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْماً نَافِعاً، وَرِزْقاً طَيِّباً، وَعَمَلاً مُتَقَبَّلاًগ্ধ.
(সকালবলো বলব)ে
(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফ‘েআন ওয়া রয্‌িকান তাইয়্যবোন ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান) (সকালবলো বলব)ে
৯৫-(২১) “হে আল্লাহ! আমি আপনার নকিট উপকারী জ্ঞান, পবত্রি রযিকি এবং কবুলযোগ্য আমল র্প্রাথনা কর।ি” (সকালবলো বলব)ে[৩২]

(হাদীসটি সংকলন করছেনে, ইবনুস সুন্নী, নং ৫৪; ইবন মাজাহ, নং ৯২৫। আর আব্দুল কাদরে ও শু‘আইব আল-আরনাঊত যাদুল মা‘আদরে সম্পাদনায় ২/৩৭৫; এর সনদকে হাসান বলছেনে। আর র্পূব ৭৩ নং এ ও তা গত হয়ছেে )

৯৭-(২৩) ্রأَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَগ্ধ.
(বকিালে ৩ বার)
(আ‘ঊযু বকিালমিা-তল্লিা-হতি তা-ম্মাতি মনি শাররি মা খালাক্বা)। (বকিালে ৩ বার)
৯৭-(২৩) “আল্লাহ্‌র পরপর্িূণ কালমোসমূহরে ওসলিায় আমি তাঁর নকিট তাঁর সৃষ্টরি ক্ষতি থকেে আশ্রয় চাই।”[৩৪] (বকিালে ৩ বার)

(আহমাদ ২/২৯০, নং ৭৮৯৮; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৫৯০; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৮; আরও দখেুন, সহীহুত তরিমযিী ৩/১৮৭; সহীহ ইবন মাজাহ ২/২৬৬; তুহফাতুল আখইয়ার লি ইবন বায, পৃ. ৪৫।)

১৭)
(সকালবলো বলব)ে

৭৮-(৪) ্রاللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ وَإِلَيْكَ النُّشُورُগ্ধ.
(আল্লা-হুম্মা বকিা আসবাহ্‌না ওয়াবকিা আমসাইনা ওয়াবকিা নাহ্‌ইয়া, ওয়াবকিা নামূতু ওয়া ইলাইকান নুশূর) [৭]।
৭৮-(৪) “হে আল্লাহ! আমরা আপনার জন্য সকালে উপনীত হয়ছেি এবং আপনারই জন্য আমরা বকিালে উপনীত হয়ছে।ি আর আপনার দ্বারা আমরা জীবতি থাক,ি আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দকিইে উত্থতি হব।”[৮]

[৭] আর বকিাল হলে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতনে:

اَللَّهُمَّ بِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوْتُ، وَإِلَيْكَ الْمَصِيْرُ.

(আল্লা-হুম্মা বকিা আমসাইনা ওয়াবকিা আসবাহ্‌না ওয়াবকিা নাহ্‌ইয়া ওয়াবকিা নামূতু ওয়া ইলাইকাল মাসীর।)

“হে আল্লাহ! আমরা আপনার জন্য বকিালে উপনীত হয়ছেি এবং আপনারই জন্য আমরা সকালে উপনীত হয়ছে।ি আর আপনার দ্বারা আমরা জীবতি থাক,ি আপনার দ্বারাই আমরা মারা যাব; আর আপনার দকিইে প্রত্যার্বততি হব।’’
[৮] তরিমযিী, ৫/৪৬৬, নং ৩৩৯১। আরও দখেুন, সহীহুত তরিমযিী, ৩/১৪২।

১৮)
(সকালবলো বলব)ে

৭৭-(৩) ্রأَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِগ্ধ.

(আসবাহ্‌না ওয়া আসবাহাল মুলকু লল্লিাহ[ি৪] ওয়ালহাম্‌দু লল্লিাহ,ি লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রব্বি আস্আলুকা খাইরা মা ফী হা-যাল ইয়াউমি ওয়া খাইরা মা বা‘দাহু, ওয়া আ‘ঊযু বকিা মনি শাররি মা ফী হা-যাল ইয়াউমি ওয়া শাররি মা বা‘দাহু।[৫] রব্বি আঊযু বকিা মনিাল কাসালি ওয়া সূইল-কবিার।ি রববি আ‘ঊযু বকিা মনি ‘আযাবনি ফন্নিা-রি ওয়া আযাবন্ িফলি ক্বাবর)ি।

[৪] বকিালে বলব,ে

أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ

(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লল্লিাহ) র্অথাৎ “আমরা আল্লাহর জন্য বকিালে উপনীত হয়ছে,ি আর সকল রাজত্বও তাঁরই অধীনে বকিালে উপনীত হয়ছে।ে”

[৫] আর যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে

رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِيْ هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيْ هَذِهِ اللَّيْلَةِ، وَشَرِّ مَا بَعْدَهَا.

(রাব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযহিল্লিাইলাতি ও খাইরা মা বা‘দাহা, ওয়া আ‘উযু বকিা মনি শাররি মা ফী হাযহিলি লাইলাত,ি ওয়া শাররি মা বা‘দাহা)

“হে রব, আমি আপনার কাছে এ রাতরে মাঝে ও এর পরে যে কল্যাণ রয়ছে,ে তা র্প্রাথনা কর।ি আর এ রাত ও এর পরে যে অকল্যাণ রয়ছে,ে তা থকেে আশ্রয় র্প্রাথনা কর।ি”

৭৭-(৩) ্র أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لاَ إِلَهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِগ্ধ.

(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লল্লিাহ [৪] ওয়ালহাম্‌দু লল্লিাহ,ি লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রাব্বি আসআলুকা খাইরা মা ফী হাযহিল্লিাইলাতি ও খাইরা মা বা‘দাহা, ওয়া আ‘উযু বকিা মনি শাররি মা ফী হাযহিলি লাইলাত,ি ওয়া শাররি মা বা‘দাহা।[৫] রব্বি আঊযু বকিা মনিাল কাসালি ওয়া সূইল-কবিার।ি রববি আ‘ঊযু বকিা মনি ‘আযাবনি ফন্নিা-রি ওয়া আযাবন্ িফলি ক্বাবর)ি।

১৯)
(সকালবলো বলব)ে

৮০-(৬) ্রاللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَগ্ধ (৪ বার).
(আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসবাহ্‌তু[১১] উশহদিুকা ওয়া উশহদিু হামালাতা ‘আরশকিা ওয়া মালা-ইকাতকিা ওয়া জামী‘আ খালক্বকিা, আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহ্‌দাকা লা শারীকা লাকা, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা) [৪ বার]
৮০-(৬) “হে আল্লাহ! আমি সকালে উপনীত হয়ছে।ি আপনাকে আমি সাক্ষী রাখছ,ি আরও সাক্ষী রাখছি আপনার ‘আরশ বহনকারীদরেক,ে আপনার ফরেশেতাগণকে ও আপনার সকল সৃষ্টকি,ে (এর উপর) য—ে নশ্চিয় আপনইি আল্লাহ, একমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নইে, আপনার কোনো শরীক নইে; আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।” (৪ বার)[১২]

[১১] আর যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে اللهم إِنّيْ أَمْسَيْتُ
(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আমসাইতু) র্অথাৎ, “হে আল্লাহ আমি বকিালে উপনীত হয়ছে”ি।

৮০-(৬) ্রاللَّهُمَّ إِنِّي أَمْسَيْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلاَئِكَتِكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّداً عَبْدُكَ وَرَسُولُكَগ্ধ (৪ বার).

(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আমসাইতু [১১] উশহদিুকা ওয়া উশহদিু হামালাতা ‘আরশকিা ওয়া মালা-ইকাতকিা ওয়া জামী‘আ খালক্বকিা, আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহ্‌দাকা লা শারীকা লাকা, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আব্দুকা ওয়া রাসূলুকা) [৪ বার]

[১২] যে ব্যক্তি সকালে অথবা বকিালে তা চারবার বলব,ে আল্লাহ তাকে জাহান্নামরে আগুন থকেে মুক্ত করবনে। আবূ দাউদ ৪/৩১৭, নং ৫০৭১; বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ১২০১; নাসাঈ, ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৯; ইবনুস সুন্নী, নং ৭০। সম্মানতি শাইখ আবদুল আযীয ইবন বায রাহমোহুল্লাহ তাঁর তুহফাতুল আখইয়ার গ্রন্থরে পৃ. ২৩ এ নাসাঈ ও আবূ দাউদরে সনদকে হাসান
২১)
(সকালবলো বলব)ে

৮১-(৭) ্রاللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُগ্ধ.
(আল্লা-হুম্মা মা আসবাহা বী[১৩] মনি ন‘িমাতনি আউ বআিহাদনি মনি খালক্বকিা ফামনিকা ওয়াহ্‌দাকা লা শারীকা লাকা, ফালাকাল হাম্‌দু ওয়ালাকাশ্ শুক্‌রু)।
৮১-(৭) “হে আল্লাহ! যে নয়োমত আমার সাথে সকালে উপনীত হয়ছে,ে অথবা আপনার সৃষ্টরি অন্য কারও সাথ;ে এসব নয়োমত কবেলমাত্র আপনার নকিট থকেইে; আপনার কোনো শরীক নইে। সুতরাং সকল প্রশংসা আপনারই। আর সকল কৃতজ্ঞতা আপনারই প্রাপ্য।”[১৪]

[১৩] আর বকিাল হলে বলব,েاللَّهُمَّ مَا أَمسَى بِي (আল্লা-হুম্মা মা আমসা বী মনি ন‘িমাতনি…) র্অথাৎ “হে আল্লাহ! যে নয়োমত আমার সাথে বকিালে উপনীত হয়ছে.ে..।”

[১৪] যে ব্যক্তি সকালবলো উপরোক্ত দো‘আ পাঠ করলো সে যনেো সইে দনিরে শুকরয়িা আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি বকিালবলো এ দো‘আ পাঠ করলো সে যনেো রাতরে শুকরয়িা আদায় করলো’’। হাদীসটি সংকলন করছেনে, আবূ দাউদ ৪/৩১৮, নং ৫০৭৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৭; ইবনুস সুন্নী, নং ৪১; ইবন হব্বিান, (মাওয়ারদি) নং ২৩৬১। আর শাইখ ইবন বায তাঁর তুহফাতুল আখইয়ার পৃ. ২৪ এ এর সনদকে হাসান বলছেনে।

২২)
(সকালবলো বলব)ে

৮৯-(১৫) ্রأَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ، اللَّهُـمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ هَذَا الْيَوْمِ:فَتْحَهُ، وَنَصْرَهُ، وَنورَهُ، وَبَرَكَتَهُ، وَهُدَاهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِيهِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُগ্ধ.
(আসবাহ্‌না ওয়া আসবাহাল-মূলকু লল্লিা-হি রব্বলি ‘আলামীন।[২২] আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা খাইরা হাযাল ইয়াওম[ি২৩] ফাতহাহু ওয়া নাসরাহু ওয়া নুরাহু ওয়া বারাকাতাহু ওয়া হুদা-হু। ওয়া আ‘ঊযু বকিা মনি শাররি মা ফীহি ওয়া শাররি মা বা‘দাহু)।
৮৯-(১৫) “আমরা সকালে উপনীত হয়ছে,ি অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও সকালে উপনীত হয়ছেে সৃষ্টকিুলরে রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কামনা করি এই দনিরে কল্যাণ: বজিয়, সাহায্য, নূর, রবকত ও হদোয়াত। আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই এ দনিরে এবং এ দনিরে পররে অকল্যাণ থকে।ে” [২৪]

[২২] আর যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে

أمسينا وأمسى الملك للَّه ربّ العالمين

(আমসাইনা ওয়া আমসাল মুলকু লল্লিাহি রাব্বলি ‘আলামীন)
“আমরা বকিালে উপনীত হয়ছে,ি অনুরূপ যাবতীয় রাজত্বও বকিালে উপনীত হয়ছেে সৃষ্টকিুলরে রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য।”

[২৩] আর যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে
اللَّهم إني أسألك خير هذه الليلة: فتحها، ونصرها، ونورها، وبركتها، وهداها، وأعوذ بك من شر ما فيها، وشر ما بعدها.
(আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরা হাযহিলি লাইলাত:ি ফাতহাহা ওয়া নাসরাহা, ওয়া নূরাহা, ওয়া বারাকাতাহা, ওয়া হুদাহা, ওয়া আ‘উযু বকিা মনি শাররি মা ফী-হা, ওয়া শাররি মা বা‘দাহা)

“হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কামনা করি এই রাতরে কল্যাণ: বজিয়, সাহায্য, নূর, রবকত ও হদোয়াত। আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই এ রাতরে এবং এ রাতরে পররে অকল্যাণ থকে।ে”

[২৪] আবূ দাউদ ৪/৩২২, নং ৫০৮৪; আর শু‘আইব ও আবদুল কাদরে আরনাঊত যাদুল মা‘আদরে সম্পাদনায় ২/৩৭৩ এর সনদকে হাসান বলছেনে।

[২৫] যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে

أمسينا على فطرة الإسلام…..
(আমসাইনা ‘আলা ফতিরাতলি ইসলাম…)
“আমরা বকিালে উপনীত হয়ছেি ইসলামরে ফত্বিরাতরে উপর”।

৯০-(১৬) ্রأَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَগ্ধ.
(আসবাহনা ‘আলা ফতিরাতলি ইসলাম[ি২৫] ওয়া আলা কালমিাতলি ইখলাসি ওয়া আলা দ্বীনি নাবয়্যিনিা মুহাম্মাদনি সাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আলা মল্লিাতি আবীনা ইবরা-হীমা হানীফাম মুসলমিাও ওয়ামা কা-না মনিাল মুশরকিীন)।
৯০-(১৬) “আমরা সকালে উপনীত হয়ছেি ইসলামরে ফতিরাতরে উপর, নষ্ঠিার্পূণ বাণী (তাওহীদ) এর উপর, আমাদরে নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্বীনরে উপর, আর আমাদরে পতিা ইব্রাহীম আলাইহসি সালাম-এর মল্লিাতরে উপর—যনিি ছলিনে একনষ্ঠি মুসলমি এবং যনিি মুশরকিদরে অর্ন্তভুক্ত ছলিনে না”।[২৬]

[২৬] আহমাদ ৩/৪০৬, ৪০৭, নং ১৫৩৬০ ও নং ১৫৫৬৩; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৩৪। আরও দখেুন, সহীহুল জাম‘েউ ৪/২০৯।

২৩)

[২৫] যখন বকিাল হব,ে তখন বলব,ে

أمسينا على فطرة الإسلام…..

(আমসাইনা ‘আলা ফতিরাতলি ইসলাম…)
“আমরা বকিালে উপনীত হয়ছেি ইসলামরে ফত্বিরাতরে উপর”।

৯০-(১৬) ্রأَصْبَحْنا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلاَمِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلاَصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ، حَنِيفاً مُسْلِماً وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشرِكِينَগ্ধ.
(আসবাহনা ‘আলা ফতিরাতলি ইসলাম[ি২৫] ওয়া আলা কালমিাতলি ইখলাসি ওয়া আলা দ্বীনি নাবয়্যিনিা মুহাম্মাদনি সাল্লাল্লা-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আলা মল্লিাতি আবীনা ইবরা-হীমা হানীফাম মুসলমিাও ওয়ামা কা-না মনিাল মুশরকিীন)।
৯০-(১৬) “আমরা সকালে উপনীত হয়ছেি ইসলামরে ফতিরাতরে উপর, নষ্ঠিার্পূণ বাণী (তাওহীদ) এর উপর, আমাদরে নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্বীনরে উপর, আর আমাদরে পতিা ইব্রাহীম আলাইহসি সালাম-এর মল্লিাতরে উপর—যনিি ছলিনে একনষ্ঠি মুসলমি এবং যনিি মুশরকিদরে অর্ন্তভুক্ত ছলিনে না”।[২৬]

[২৬] আহমাদ ৩/৪০৬, ৪০৭, নং ১৫৩৬০ ও নং ১৫৫৬৩; ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ৩৪। আরও দখেুন, সহীহুল জাম‘েউ ৪/২০৯।

২৪)
[সকাল-বিকাল ১০০ বার করে]
৯১-(১৭) ্রسُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِগ্ধ.(১০০ বার)
(সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বহিামদহিী)। (১০০ বার)
৯১-(১৭) “আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবত্রিতা ও মহমিা ঘোষণা করছ।ি” (১০০ বার)[২৭]

[২৭] যে ব্যক্তি তা সকালে একশত বার ও বকিালে একশত বার বলব,ে কয়িামতরে দনি তার চয়েে বশেি উৎকৃষ্ট কছিু কউে নয়িে আসতে পারবে না, তবে সে ব্যক্তি যে তার মত বলব,ে বা তার চয়েে বশেি আমল করব।ে মুসলমি ৪/২০৭১, নং ২৬৯২।

২৫)

৯৬-(২২) ্রأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِগ্ধ.
(আস্তাগফরিুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহ)ি।
৯৬-(২২) “আমি আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা র্প্রাথনা করছি এবং তাঁর নকিটই তাওবা করছ”ি। (প্রতি দনি ১০০ বার)[৩৩]
(বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১০১, নং ৬৩০৭; মুসলমি ৪/২০৭৫, নং ২৭০২)

২৬)

৮৫-(১১) ্রاللَّهُمَّ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطانِ وَشَرَكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءاً، أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍগ্ধ.
(আল্লা-হুম্মা আ-লমিাল গাইবি ওয়াশ্‌শাহা-দাতি ফা-ত্বরিাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব,ি রব্বা কুল্লি শাই’ইন ওয়া মালীকাহু, আশহাদু আল-লা ইলা-হা ইল্লা আনতা। আ‘উযু বকিা মনি শাররি নাফ্‌সী ওয়া মনি শাররশি শাইত্বা-নি ওয়াশরিকহিী/ওয়াশারাকহিী ওয়া আন আক্বতারফিা ‘আলা নাফ্‌সী সূওআন আউ আজুররাহূ ইলা মুসলমি)।
৮৫-(১১) “হে আল্লাহ! হে গায়বে ও উপস্থতিরে জ্ঞানী, হে আসমানসমূহ ও যমীনরে স্রষ্টা, হে সব কছিুর রব্ব ও মালকি! আমি সাক্ষ্য দচ্ছিি য,ে আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নইে। আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই আমার আত্মার অনষ্টি থকে,ে শয়তানরে অনষ্টিতা থকেে ও তার শর্কি বা তার ফাঁদ থকে,ে আমার নজিরে উপর কোনো অনষ্টি করা, অথবা কোনো মুসলমিরে দকিে তা টনেে নওেয়া থকে।ে”[১৮]

২৭)

১০১-(৩) ﴿اٰمَنَ الرَّسُوْلُ بِمَآ اُنْزِلَ اِلَيْهِ مِنْ رَّبِّهٖ وَالْمُؤْمِنُوْنَ ۭ كُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَمَلٰۗىِٕكَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ ۣلَا نُفَرِّقُ بَيْنَ اَحَدٍ مِّنْ رُّسُلِهٖ ۣ وَقَالُوْا سَمِعْنَا وَاَطَعْنَا ڭ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَاِلَيْكَ الْمَصِيْرُ ٢٨٥؁لَا يُكَلِّفُ اللّٰهُ نَفْسًا اِلَّا وُسْعَهَا ۭ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ۭرَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَآ اِنْ نَّسِيْنَآ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تَحْمِلْ عَلَيْنَآ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَي الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَاعْفُ عَنَّا ۪ وَاغْفِرْ لَنَا ۪ وَارْحَمْنَا ۪ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْــصُرْنَا عَلَي الْقَوْمِ الْكٰفِرِيْنَ ٢٨٦؀ۧ ﴾.

(আ-মানার রাসূলু বিমা উনযিলা ইলাইহি মির রব্বিহী ওয়াল মু’মিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা-ইকাতিহী ওয়াকুতুবিহী ওয়া রুসুলিহ, লা নুফাররিক্বু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ, ওয়া ক্বালু সামি‘না ওয়া আতা‘না গুফ্রা-নাকা রব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসীর। লা ইয়ুকাল্লিফুল্লাহু নাফ্সান ইল্লা উস‘আহা লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাক্তাসাবাত রব্বানা লা তুআখিয্না ইন নাসীনা আও আখ্ত্বা’না। রব্বনা ওয়ালা তাহ্মিল ‘আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু ‘আলাল্লাযীনা মিন ক্বাবলিনা। রব্বনা ওয়ালা তুহাম্মিলনা মা-লা ত্বা-ক্বাতা লানা বিহী। ওয়া‘ফু আন্না ওয়াগফির লানা ওয়ারহামনা আনতা মাওলা-না ফানসুরনা ‘আলাল ক্বাউমিল কাফিরীন)।

১০১-(৩) “রাসূল তার প্রভুর পক্ষ থেকে যা তার কাছে নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান এনেছেন এবং মুমিনগণও। প্রত্যেকেই ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশ্তাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর। আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনেছি ও মেনে নিয়েছি। হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল। আল্লাহ্ কারো উপর এমন কোন দায়িত্ব চাপিয়ে দেন না যা তার সাধ্যাতীত। সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তারই, আর মন্দ যা কামাই করে তার প্রতিফল তার উপরই বর্তায়। ‘হে আমাদের রব! যদি আমরা বিস্মৃত হই অথবা ভুল করি তবে আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। হে আমাদের রব! আমাদের পূর্ববর্তীগণের উপর যেমন বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিলেন আমাদের উপর তেমন বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বহন করাবেন না যার সামর্থ আমাদের নেই। আর আপনি আমাদের পাপ মোচন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। অতএব কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করুন।”[৩]

[৩] সূরা আল-বাকারা ২৮৫-২৮৬। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যে ব্যক্তি রাতের বেলা সূরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পড়বে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ৯/৯৪, ৪০০৮; মুসলিম ১/৫৫৪, নং ৮০৭।

প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুণ এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ১২২৮। সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। সহিহ মুসলিম, মিশকাত হাদিস নং- ১৮০৩) ।

সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। সহিহ আবু দাউদ, হাদিস নং- ৫০৯১। হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি’ পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়। (তিরমিজি : ৩৪৬৪)
আমল: ৭
সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং- ২৬৯২।
আমল: ৮
সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। নাসাই, সহিহ তারগিব, হাদিস নং- ৬৫১।

্রرب قني عذابك يوم تبعث عبادكগ্ধ (رواه مسلم)
উচ্চারণ: রব্বি ক্বনিী আযাবাকা ইয়াওমা তুব‘য়াসু ইবাদুকা। (মুসলমি)
র্অথ: হে আল্লাহ! আমাকে তুমি তোমার আযাব হতে বাঁচাও যদেনি তোমার বান্দারা উত্থতি হব।ে

১।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা  যঃলামনা – আনফুসানা – ওয়া   ইল্লাম তাগফিরলানা – ওয়া  তার’হামনা – লানাকূ-  নান্না  মিনাল  খ-সিরীন।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিজেদের উপর যুলুম করেছি।যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের উপর অনুগ্রহ না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব। [ সূরা আল আ’রাফঃ ২৩।]

 

২।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা  তাক্বব্বাল  মিন্না  ইন্নাকা  আংতাস সামী’উল  আলীম।

অর্থঃ”হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের (প্রার্থনা) ক্ববুল কর। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা  ও  সর্বজ্ঞানী। [সূরা, আল -বাকারাহঃ আয়াত -১২৭।]

 

৩।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা – লা – তুআ- খিযনা – ইন  নাসী-না – ‌আও  আখত্ব’না।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা যদি ভুল যাই কিংবা ভুল করি, সেই জন্য আপনি আমাদেরকে অপরাধী করবেন না।  [ সূরা, আল বাকারাহঃ আয়াত – ২৮৬।]

 

৪। বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা ইন্নাকা র‌উফুর  রহীম।

 

৫।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা – ইন্নানা – আ-মান্না – ফাগফিরলানা – যুনূবানা – ওয়াক্বিনা – ‘আযা- বান  না-র।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা কর। [সূরা, আলে-ইমরানঃ আয়াত – ১৬।]

 

৬।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা  আফরি’গ  ‘আলাইনা  সবর‌উ  ওয়া  তা ওয়াফফানা  মুসলিমী- ন ।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের জন্য ধৈর্য্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদেরকে মুসলমান হিসাবে মৃত্যু দান করুন।  [ সূরা, আল আ’রাফঃ আয়াত – ১২৬।]

 

 

৭।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বি  ‘হাবলী  মিনাছ্   ছ-লিহীন।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাকে সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান করুন। [সূরা,আস-সাফফাতঃ আয়াত -১০০।]

 

৮।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা  ‘হাবলানা  মিন  ‘আঝ‌ওয়া  জিনা  ওয়া  যুররিইয়া- তিনা  কুররতা  আ’য়ূনিউ   ওয়াজ’আলনা – লিল  মুত্তাক্বী-না ইমা-মা। অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ করুণ।  [‌ সূরা,আল-ফুরক্বানঃ আয়াত -৭৪।]

 

৯।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা – আ-তিনা  ফিদ্ – দুন‌ইয়া  হাসানাতাও, ওয়া  ফিল  আ-খিরতি  হাসানাতাও , ওয়াক্বিনা – আযা-বান  না – র। অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন আযাব থেকে রক্ষা করুন। [ সূরা, আল বাকারাহঃ আয়াত – ২০১।]

 

 

১০।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বির  ‘হামহুমা  কামা  রব্বাইয়া – নী  ছ’গী – র-।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের পিতা-মাতার আমাদেরকে ছোট অবস্থায় তেমনভাবে আদর যত্ন দিয়ে প্রতিপালন করিয়াছেন, আপনি তেমনি তাহাদের প্রতি রহম করুন। [ সূরা,আল-ইসরা(বনী-ইসরাঈল)ঃআয়াত-২৪।]

 

 

 

১১।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি  ইন্নী  যঃলামতু  নাফসী  ফাগফিরলী।

অর্থঃ”হে আমার পালনকর্তা! আমি আমার নিজের প্রতি যুলুম করেছি।অত‌এব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। [ সূরা,ক্বাছাছঃ আয়াত – ১৬।]

 

১২। ।

বাংলা উচ্চারণঃ   রব্বি  ইন্নী  যঃলামতু  নাফসী  ফা’গফিরলী, ইন্নাহু   হুওয়াল  ‘গফূ-রুর  রহী – ম ।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয়ই আমি আমার নিজের প্রতি যুলুম করিয়াছি, সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয় আপনি অতিব ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। [ সূরা, আল- কাসাসঃ আয়াত -১৬।]

 

১৩ ।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বি ‌  ঝিদনী –   ইলমা -।

অর্থঃ “হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।  [ সূরা, আত্ব-ত্ব-হাঃ আয়াত -১১৪।]

 

১৪। বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বিশরহঃলী  স্বদরী  ওয়া  ইয়াসসির  লী  আমরী  ওয়াহঃলুল  উক্বদাতাম  মিল  লিসা – নী  ইয়াফক্বহূ  ক‌ওলী ।

অর্থঃ “হে আমার পালনকর্তা!আমার বক্ষ প্রশস্ত করে দিন, আমার কাজ সহজ করে দিন এবং আমার জিহবা থেকে জড়তা দূর করে দিন।যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে। [ সূরা, আত্ব-ত্ব-হাঃ আয়াত -২৪-২৮।]

 

১৫।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বিজ্ব ‘আলনী মুকী-মাছ্ব ছ্বলা-তি ওয়া মিন যুররিইইয়াতী-,রব্বানা ওয়া তাক্বববাল দু’আ-ই।

অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা! আমাকে সালাত কায়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য হ‌ইতেও।হে আমার পালনকর্তা!আর আমার দু’আ কবুল করুন। [ সূরা,ইবরাহীমঃ আয়াত – ৪০।]

 

১৬ ।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা’গ  ফিরলী  ওয়া  লি  ওয়া – লিদাইয়্যা  ওয়া  লিলমু’মিনী – না  ইয়াওমা  ইয়াক্বু – মুল  ‘হিসা – ব । অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! যেইদিন হিসাব অনুষ্ঠিত হবে সেই দিন আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং মু’মিনদেরকে ক্ষমা করুন। [ সূরা,ইবরাহীমঃ আয়াত – ৪১।]

 

১৭। বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি’গ  ফিরলী  ওয়া  লী  ওয়া – লিদাইয়্যা  ওয়া  লিমান  দাখলা  বাইতিয়া  মু’মিনাও  ওয়া  লিল  মু’মিনী- না  ওয়াল  মু’মিনা- ত ।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাকে,আমার পিতামাতাকে এবং যিনি/যাহারা বিশ্বাসী হ‌ইয়া আমার গৃহে প্রবেশ করে তাদেরকে/তাহাদেরকে আর মু’মিন পুরুষদেরকে ও মু’মিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন । [ সূরা,নূহঃ আয়াত – ২৮।]

 

১৮।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বি’গ ফির ওয়ার  ‘হাম ওয়া  আংতা  খ‌ইরুর  র-‘হিমী- ন।

অর্থঃ “হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন,আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।

[ সূরা, আল-ম’মিনুনঃ আয়াত- ১১৮।]

 

 

১৯। বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা  আ- মান্না  ফা’গফির  লানা  ওয়ার  ‘হামনা  ওয়া  আংতা  খ‌ইরুর  র-‘হিমী- ন ।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা ঈমান আনিয়াছি,অত‌এব আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন,আর আপনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। [ সূরা, আল -মু’মিনুনঃ আয়াত – ১০৯।]

 

২০।

বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বাহু  আন্নী  মাসসানিইয়াদ্ব   দ্বুররু   ওয়া  আংতা  আর’হামুর  র- হিমী- ন ।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমি দুঃখ -কষ্টে পতিত হ‌ইয়াছি ,আর আপনিই তো দয়ালুদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। [ সূরা, আল -আম্বিয়াঃ আয়াত-  ৮৩।]

 

২১ ।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা  লা তাজ্ব’আলনা  মা’আল  ক্ব‌ওমিজ  জ-লিমী – ন।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে যালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গী করিবেন না। [ সূরা, আল -আ’রাফঃ আয়াত – ৪৭।]

 

২২। বাংলা উচ্চারণঃ  রব্বানা  লা  তাজ্ব’আলনা  ফিতনাতাল  লিল ক্ব‌ওমিজ   জ- লিমী – ন।

অর্থঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে যালিম সম্প্রদায়ের উৎপীড়নের পাত্র করিবেন না। [ সূরা, ইউনুসঃ আয়াত – ৮৫।]

 

২৩।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি লা তাজ্ব‌’আলনী -ফিল ক্ব‌ওমিজ জ- লিমী- ন।

অর্থঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাকে যালিম সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত করিবেন না। [সূরা,আল-মুমিনুনঃআয়াত-৯৪।]

 

২৪।  বাংলা উচ্চারণঃ রব্বি ক্বিনী ‘আযা-বাকা ইয়াওমা তাব’আছু ইবা-দাক।

অর্থঃ হে আমার প্রভু! আমকে রক্ষা করুন আপনার শাস্তি থেকে যেদিন আপনি পুনরুত্থিত করবেন আপনার বান্দাদেরকে।

{মুসলিম,হা/৭০৯}

 

২৫ ।

বাংলা উচ্চারণঃ  লা- ইলা- হা  ইল্লা- আংতা  সুব’হা- নাকা  ইন্নী- কুনতু  মিনায্  য-লিমী- ন ।

অর্থঃ আপনি ছাড়া (সত্য‌ই) কোন মাবুদ নেই, আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করিতেছি, নিশ্চয়ই আমি সীমালংঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত। [ সূরা, আল -আম্বিয়াঃ আয়াত – ৮৭।]

 

২৬ ।

বাংলা উচ্চারণঃ  ‘হাসবুনাল্ল- হু  ওয়া  নি’অমাল  ওয়াকী- ল ।

অর্থঃ আল্লাহ তা’আলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উওম কর্মবিধায়ক। [সূরা, আলে-ইমরানঃ আয়াত- ১৭৩।]

 

২৭।

বাংলা উচ্চারণঃ  ‘হাসবিইয়াল্ল- হু  লা — ইলা–হা  ইল্লা–হু; ‘আলাইহি  তাওয়াক্কালতু  ওয়া  হুওয়া  রব্বুল  আরশিল  আযীম।

অর্থঃ আমরা জন্য আল্লাহ তা’আলাই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আমি তাঁহার উপর‌ই তাওয়াক্বাল করিয়াছি এবং তিনি মহাআরশের অধিপতি।  [ সূরা,আত-তাওবাঃ আয়াত -১২৯।]

 

২৮।

বাংলা উচ্চারণঃ ইন্না–  লিল –হি   ওয়া  ইন্না  ইলাইহি  র– জ্বি’ঊ–ন।

অর্থঃ নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহ তা’আলা জন্য এবং নিশ্চিতভাবে আমরা তাহার‌ই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী । [ সূরা, আল বাকারাহঃ আয়াত ১৫৬।]

 

 

 

 

 

 

২৯।

বাংলা উচ্চারণঃ সুব’হা–না  রব্বিকা  রব্বিল  ‘ইয্বয্বাতি  ‘আম্মা– ইয়াছ্বিফূ- ন । ওয়া  সালা–মুন  ‘আলাল   মুরসালী – ন । ওয়াল  ‘হামদু  লিল্লা–হি   রব্বিল   ‘আ- লামী- ন।

অর্থঃ তাহারা (মুশরিকগন) যাহা আরোপ করে তাহা হ‌ইতে পবিত্র ও মহান আমাদের পালনকর্তা,যিনি সকল ক্ষমতার অধিকারী। আর শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের প্রতি।আর সকল প্রসংসা আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের জন্যে।   [ সূরা,আস-সাফফাতঃ আয়াত – ১৮০-১৮২।]

 

৩০। বাংলা উচ্চারণঃ  আল্ল-হুম্মা রব্বানা – আ-তিনা  ফিদ্ – দুন‌ইয়া  হাসানাতাও, ওয়া  ফিল  আ-খিরতি  হাসানাতাও , ওয়াক্বিনা – আযা-বান  না – র।

অর্থঃ “হে আল্লাহ্ তা’আলা!আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন, আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন আযাব থেকে রক্ষা করুন।

[বুখারী,হা/ ৪৫২২ ; মুসলিম,হা/২৬৯০ ; মিশকাত,হা/২৪৮৭।]

 

৩১ ।  বাংলা উচ্চারণঃ  আল্ল-হুম্মা’গ ‌ ফিরলী  ওয়ার ‘হামনী  ওয়া  আল ‘হিকনী –বির   রফী–ক্বিল   আ’অলা।

অর্থঃ হে আল্লাহ তা’আলা! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি রহম করুন এবং সুমহান সঙ্গীদের সহিত আমাকে মিলিত করুন।

 

৩২। বাংলা উচ্চারণঃ  আল্ল-হুম্মা  ইন্নী  আ’ঊযুবিকা  মিনাল  বরস্বি ওয়াল  জুনূ-নি  ওয়াল  জুযা-মি  ওয়া  মিন  সায়য়্যিয়্যিল  ‘আসক্ব-ম।

 

অর্থঃ “হে আল্লাহ তা’আলা! আমি আপনাদের নিকট শ্বেত(কুষ্ঠ) রোগ হ‌ইতে, পাগলামি হ‌ইতে,খুজলী-পাচড়া হ‌ইতে এবং ঘৃণ্য রোগ হ‌ইতে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করিতেছি।

‌‌         [ আবূ দাউদ,হা/১৫৫৪ ; মিশকাত,হা/২৪৭০।]

 

৩৩। বাংলা উচ্চারণঃ  আল্ল-হুম্মা  ইন্নী  আস‌আলুকাল  হুদা – ওয়াত তুক্ব  ওয়াল  আফা–ফা  ওয়াল  গিনা-।

অর্থঃ হে আল্লাহ তা’আলা! আমি আপনার নিকট হেদায়েত,তাক্ব‌ওয়া , চরিত্রের নির্মলতা বা নিষ্কলুষতা এবং আত্ননির্ভরশীলতা বা সচ্চলতা প্রর্থনা করিতেছি।

[মুসলিম,হা/২৭২১; তিরমিযী,হা/৩৪৮৯; মিশকাত,হা/২৪৮৪; ইবনু মাজাহ,,হা/৩৮৩২।]

 

৩৪। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা  ইন্নী  আ’ঊযুবিকা  মিনাল  কুফরি ওয়াল  ফাকরি  ওয়া  আ’ঊযু  বিকা  মিন আযা–বিল ক্ববর।

অর্থঃ হে আল্লাহ!আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কুফরি থেকে ও দারিদ্র্য থেকে এবং আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

{ আবূ দাউদ,হা/ ৫০০২}

 

৩৫। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস‌আলুকাল জান্নাত ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন্ না–র।

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই আর আমি আপনার নিকট জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

{ আবূ দাউদ,হা/৭৯২,৯৮৫ ; মিশকাত,হা/৭৯২।}

 

৩৬ । বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনাল জুবনি ওয়া আ’ঊযুবিকা আন উরদ্দা ইলা -আর যালালি উমুরী ওয়া আ’ঊযুবিকা মিন্ ফিতনাতিল দুনিয়া-ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন আযা–বিল ক্ববর।

অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি কৃপণতা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অপমানকর অতি বৃদ্ধ বয়সে পৌছান থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুনিয়ার ফিৎনা থেকে, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি কবরের আযাব থেকে।

{ বুখারী,হা/২৮২২,৬৩৭০ ; মিশকাত,হা৯৬৪।}

 

৩৭ । বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা,’আ‌’ইননী আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ইবা-দাতিক।

অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার যিকির করতে,শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দর ভাবে করতে তাওফিক ও ক্ষমতা দান করুন।

{ আবূ দাউদ,হা/ ১৫২২}

 

৩৮ । বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা  ইন্নাকা  ‘আফুব্বন  কারীমুন  তু’হিব্বুল ‘আফ‌ওয়া   ফা’অফু–আন্নী।

অর্থঃ হে আল্লাহ তা’আলা! আপনি তো খুবই ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতেই ভালবাসেন।অত‌এব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।

[ইবনু মাজাহ,হা/৩৮৫০; তিরমিযী,হা/৩৫১৩।}

 

৩৯। বাংলা উচ্চারণঃ  আল্ল-হুম্মা ফিরলী  ওয়ার ‘হামনী , ওয়ার‌  আ-ফিনী  ওয়ারযুকনী, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওয়ার ফা’অনী।

অর্থঃ “হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে রহমত করুন, আমাকে সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমাকে রিযিক দান করুন, আমাকে হিদায়াত করুন, আমাকে পুণতা দান করুন এবং আমাকে সুউচ্চ করুন।

{ মিশকাত,হা/৯০০; তিরমিযী,হা/২৮৪; আবূ দাউদ,হা/৮৫০।}

 

৪০। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা রব্বা জিবরাঈল  ওয়া মিকাঈল ওয়া ইসরা-ফীলা, আ’ইযনী মিন হাররিন না-রি আযা-বিল ক্ববর।

অর্থঃ হে আল্লাহ, জিবরাঈল মিকাঈল ও ইসরা-ফীলের প্রভূ আমাকে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।

{মুসনাদু আহমদ,৬/৬১; আস-সুনানুল কুবরা ৬/৪০।}

 

৪১ । বাংলা উচ্চারণঃ আস্তগ ফিরুল্ল-হাল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা -হুয়াল ‘হাই’উল ক্ব‌ই’উম ওয়া আতূবু ইলাইহি।

অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ,যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।যিনি চিরঞ্জীব ও সবকিছু ধারক। আমি তাঁর দিকে ফিরে যাচ্ছি বা তাওবা করছি।

{ তিরমিযী,হা/৩৫৭৭ ; মিশকাত,হা/২৩৫৩।}

 

 

৪২। বাংলা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি ওয়াল আ’জযি ওয়াল কাসালি ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনী ওয়া দালাইদ্  দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।

অর্থঃ “হে আল্লাহ, আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনা থেকে,অপারগতা ও অলসতা থেকে,কৃপণতা ও কাপুরুষতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষের অত্যাচার থেকে।

 

 

 

৪৩ ।

বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলা-হা ইল্লা-আনতা খালাক্বতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া ‘দিকা মাস্তাত্বা’তু। আ’ঊযুবিকা মিন্ শাররি মা -সানা’তু আবুউ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়্যা ওয়া আবূউ লাকা বিযাম্বী ফাগফি্র লী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগ ফিরুয  যুনুবা ইল্লা -আনতা।

অর্থঃ হে আল্লাহ, আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিঞ্জার উপর রয়েছি ততটুকু পেরেছি। আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমি যে কর্ম করছি তার অকল্যাণ থেকে। আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আপনি আমাকে যত নিয়ামত দান করেছেন তা-সহ এবং আমি আপনার কাছে প্রত্যাবর্তন করছি আমার পাপসহ।অত‌এব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন,কারণ আপনি ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।

‌‌                          {বুখারী,হা/৬৩০৬,৫৮৬।}

 

৪৪।

বাংলা উচ্চারণঃ রব্বানা – লা তুআ -খিযনা ইন নাসী না আও আখত্বনা।রব্বানা ওয়া লা তা’হমিল ‘আলাইনা  ইছ্বরন কামা ‘হামালতাহু  ‘আলাল্লাযী-না মিন ক্ববলিনা। রব্বানা ওয়া লা তু’হমমিলনা মা – লা -ত্ব- ক্বতা লানা বিহী -;ওয়া’অফূ ‘আন্না  -,ওয়া’গফির লানা -,ওয়ার হামনা -,আংতা মাওলানা –ফানছুরনা  ‘আলাল ক্ব‌ওমিল‌  কআফইরঈ-ন ।

অর্থঃ”হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা যদি ভূলে যাই কিংবা ভুল করি, সেইজন্য আপনি আমাদেরকে অপরাধী করিবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের পূর্ববর্তীদের যেমন গুরুদায়িত্ব অর্পন করিয়েছিলেন, আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করিবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক!আপনি আমাদেরকে এমন কিছু ভার বহন করাইবেননা,যাহার সামথ্য আমাদের নেই।আর আপনি আমাদের মার্জনা করুন, আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের অভিভাবক,অত‌এব আপনি আমাদেরকে সত্য প্রর্ত্যাখ্যানকারী (কাফের) সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে (সাহায্য ও) জয়যুক্ত করুন।

[সূরা, আল বাকারারঃ আয়াত -২৮৬।]

 

৪৫। বাংলা উচ্চারণঃ লা ‌- ইলা- হা  ইল্লা–হুল  আ’জী-মুল ‘হালী–ম; লা  ‌ইলা – হা ইল্লা- হু  রব্বুস  সামা- ওয়া- তি ওয়াল আরদ্ব; রব্বুল ‘আরশিল ‘আজী–ম।

অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া সত্য‌ই কোন ইলাহ নাই,যিনি মহান ও ধৈর্যশীল। আল্লাহ ছাড়া সত্য‌ই কোন ইলাহ নাই, তিনি আসমানসমূহ-যমীনের প্রতিপালক এবং মহান আরশের অধিপতি।

[বুখারী,হা/৫৯০৫(ই.ফাঃ)]

 

৪৬ । বাংলা উচ্চারণঃ লা ‌- ইলা- হা  ইল্লা–হুল  আ’জী-মুল ‘হালী–ম; লা  ‌ইলা – হা ইল্লা- হু  রব্বুল ‘আরশিল ‘আজী–ম; লা  ‌ইলা – হা  ইল্লা- হু  রব্বুস  সামা- ওয়া- তি  ওয়া রব্বুল আরদ্বি; ওয়া রব্বুল ‘আরশিল কারী–ম।

অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া সত্য‌ই কোন ইলাহ নাই, তিনি অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও অশেষ ধৈর্যশীল।আল্লাহ ছাড়া সত্য‌ই কোন ইলাহ নাই, তিনি আরশে আযীমের প্রতিপালক।আল্লাহ তাআলা ছাড়া সত্য‌ই আর কোন ইলাহ নাই, তিনি আসমানসমূহ প্রতিপালক ও যমীনের প্রতিপালক এবং সম্মাতিত আরশের অধিপতি।  [বুখারী,হা/৫৯০৬(ই.ফাঃ)]

 

৪৭। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা ইন্নী ‘আস‌আলুকা  বিআন্নী  ‘আশহাদু আন্নাকা  ‘আনতাল্ল-হু  লা- ইলা- হা  ইল্লা- আনতাল  আ’হাদুস সামাদুল  লাযী  লাম ইয়ালিদ, ওয়া    লাম ইউলাদ , ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান  আ’হাদ।

অর্থঃ”হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট এই বলে প্রার্থনা করছি যে, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি, আপনি আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই। আপনিই একক, অমুখাপেক্ষী,যিনি জন্মদান করেননি ও জন্মগ্রহণ করেননি এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।

[তিরমিযী,হা/৩৪৭৫; ইবনু  মাজাহ,হা/৩৮৫৭।]

 

৪৮। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা, ইন্নী আস‌আলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা – ইলা- হা  ইল্লা- আনতা,[আল-মান্নানু], [ইয়া-] বাদী’আস সামা- ওয়া- তি  ওয়াল  আরদি, ইয়া যাল  জালা-লি। ওয়াল  ইকর-ম,  ইয়া ‘হাইউ  ইয়া  ক্ব‌ইঊম।

অর্থঃ “হে আল্লাহ নিশ্চয় আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি (এই বলে) যে,সকল প্রশংসা আপনার, আপনি ছাড়া কোনো মা’বুদ নেই,হে মহাদাতা,হে আসমানসূ ও পৃথিবীর উদ্ভাবক,হে মহত্ত্ব ও সম্মানের মালিক,হে চিরঞ্জীব,হে সর্বকর্তৃত্বময় অভিভাবক।”

[ইবনু মাজাহ,হা/৩৮৫৮; তিরমিযী,হা/৩৫৪৪; আবু দাউদ,হা/১৪৯৫;নাসাঈ,হা/১২৯৯।]

 

৪৯।বাংলা উচ্চারণঃ  ইয়া  ‘হাইয়্যু  ইয়া  কাইয়্যু-ম  বির’হমাতিকা  আস্তাগী–ছ।

অর্থঃ “হে চিরঞ্জীব আর সমস্ত কিছুর ধারণ ও সংরক্ষণকারী! আপনার রহমতের ওসীলায় পরিত্রাণ প্রার্থনা করিতেছি।

[তিরমিযী,হা/৩৫২৪(ইঃফাঃ)]

 

৫০। বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা’গ  ফিরলী  যামবী কুলাহু  দিকক্বাহু  ওয়া  জ্বিলাহু  ওয়া  আওওয়ালাহু  ওয়া  আ-খিরহু ওয়া  ‘আলা-নিয়াতাহু  ওয়া  সিররহ্।

অর্থঃ “হে আল্লাহ তা’আলা! আমার সকল গুনাহ মাফ করে দিন, ছোট ও বড়, প্রথম ও শেষ,প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য।

[মুসলিম,হা/৯৬৮(ইঃফাঃ); আবু দাউদ,হা/৮৭৮(ইঃফাঃ)]

রাতে ঘুমাইতে যাওয়ার সময় পঠিতব্য মাসনূন যিকির-আযকার ও দু’আ-

 

১। সূরা আস-সাজদা ও সূরা আল মুলক তিলাওয়াত করা। একবার।

 

২। বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিকা রব্বী, ওয়া  দ্ব’অতু  জামবী, ফাগফির  লী যাম্বী।

অর্থঃ “হে আমার প্রভু! আপনার‌ই নামে শয়ন করলাম। আপনি আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন।

 

৩ । বাংলা উচ্চারণঃ বিসমিকা, আল্ল-হুম্মা, আমূতু  ওয়া  আ’হ‌ইয়া।

অর্থঃ”আপনার‌ই নামে,হে আল্লাহ, আমি মৃত্যুবরণ করি এবং জীবিত হ‌ই।

{বুখারী,হা/৬৩১৪ ; মিশকাত,হা/২৩৮২।}

 

৪ । বাংলা উচ্চারণঃ তিন কুল পাঠ করে । তিনবার।   তিন কুল পড়ে দুই হাতে ফুঁক দিয়ে সমস্ত শরীর মাসেহ্ করা।

{বুখারী,হা/৫০১৭; মিশকাত,হা/২১৩২।}

 

৫।    সুবহা-নাল্লা-হ–৩৩বার,  আল-‘হামদুলিল্লাহ –৩৩বার, আল্ল-হু আকবার –৩৪।মোট একশত বার।

 

৬।

رب قني عذابك يوم تبعث (تجمع) عبادك

বাংলা উচ্চারণঃ আল্ল-হুম্মা  ক্বিনী  আযা-বাকা  ইয়াওমা  তাব’আছু ইবা-দাক।

অর্থঃ হে আল্লাহ তা’আলা! আমকে আপনার সেই দিনের আযাব থেকে রক্ষা করুন,যেই দিন আপনি আপনার বান্দাদের পুনরুত্থিত করিবেন।

‌              {তিরমিযী ,হা/৩৩৯৮ ; মিশকাত,হা/২৪০০।}

 

৭। আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। একবার।

‌{বুখারী,হা/২৩১১,৩২৭৫; মুসলিম; মিশকাত,হা/ ২১২৩।}

 

৮। সূরা কাফিরূন পাঠ করা। একবার।

 

৯। সূরা আল বাকারার শেষ দুই আয়াত তেলাওয়াত করা। একবার।

{বুখারী,হা/৫০৪০; মুসলিম,হা/১৯১৪; মিশকাত,হা/২১২৫।}

 

১০।

«أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظيمَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ القَيّوُمُ وَأَتُوبُ إِلَيهِ».

বাংলা উচ্চারণঃ  আসতাগ’ফিরুল্ল–হাল  (আযীমাল)  লাযী  লা ইলা-হা  ইল্লা – হুঅল  হাইউল  ক্ব‌ইউম,  ওয়া  আতূবু  ইলাইহি। তিনবার।

অর্থঃ আমি মহান আল্লাহ ক্ষমা প্রার্থনা করছি,যিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব ও সর্ব সংরক্ষণ, এবং তাঁর কাছে ত‌ওবা করছি।

হোয়াটসাঅ্যাপ চ্যাট
মেসেঞ্জার চ্যাট