ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ 🌙 মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা, ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। জান্নাতের পথের সন্ধান পেতে আমাদের সাথে থাকুন 🕌 ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ধন্যবাদ! 🤲 ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ 🌙 মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা, ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। জান্নাতের পথের সন্ধান পেতে আমাদের সাথে থাকুন 🕌 ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার জন্য ধন্যবাদ! 🤲
📢 📢 বিশেষ নোটিশ📢 : আলহামদুলিল্লাহ! আমাদের প্রথম ব্যাচের কৃতি হাফেজ শিক্ষার্থীদের অসামান্য সাফল্যকে সন্মাননা জানাতে জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা, ভাটি সাভার, নান্দাইল, ময়মনসিংহ-এর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ “হিফজ সম্মাননা সনদ, পাগড়ি প্রদান ও দোয়া মাহফিল” আয়োজন করা হয়েছে। 🕌 🎓 🎓 “হিফজ সম্মাননা সনদ, পাগড়ি প্রদান ও দোয়া মাহফিল” 📅 ০২ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) 📍 📍 ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ 🤝 সকলকে আমন্ত্রণ 🙏 দোয়ার দরখাস্ত 📢 বিশেষ নোটিশ: জামিয়াতু লুৎফুর রহমান আল ইসলামিয়া মাদরাসা 🕌 🎓 🎓 “হিফজ সম্মাননা সনদ, পাগড়ি প্রদান ও দোয়া মাহফিল” 📅 📅 ০২ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) 📍 স্থান- ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ 🤝 সকলকে আমন্ত্রণ 🙏 দোয়ার দরখাস্ত।
প্রতিষ্ঠাতা

জনাবা নাছিমা আক্তার “دامت برکاتها” (দামাত বারাকাতুহা) ( প্রতিষ্ঠাতা )

  • যোগদান: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৫
  • জন্ম তারিখ: N/A
  • রক্তের গ্রুপ: O+
  • যোগ্যতা: বি.এ (পাস)
  • ফোন নম্বর: ০১৩৩৫-৫৫৪৭৭৭
  • ইমেইল: nasima.madrasa@gmail.com
  • ঠিকানা: Bhati Savar, Hemgonj Bazar, Nandail, Mymensingh-2290
  • Person 01 Biography

    মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা: মোছাঃ নাছিমা আক্তারের জীবনালেখ্য

     এক আলোকিত জীবনের গল্প: যে স্বপ্ন দেখেন একজন মা

     মোছাঃ নাছিমা আক্তার একজন উদারমনস্ক, ধর্মপ্রাণ, ও শিক্ষানুরাগী নারী যিনি নারীর দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে নিজেকে নিবেদিত করেছেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১২ মার্চ ১৯৭৬ সালে, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা মরহুম রইছ উদ্দিন আকন্দ ছিলেন একজন শ্রদ্ধাভাজন সমাজসেবক এবং মাতা মরহুমা আমেনা খাতুন ছিলেন ধার্মিক, মমতাময়ী এক আদর্শ নারী।

     

    প্রথম অধ্যায়: জন্ম ও বংশপরিচয়
    মোছাঃ নাছিমা আক্তার জন্মগ্রহণ করেন ১৯৭৬ সালের ১২ই মার্চ, ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের সংগ্রামকেলী গ্রামে। তাঁর পিতা ছিলেন সম্মানিত রইছ উদ্দিন আকন্দ এবং মাতা ছিলেন গুণধারী আমেনা খাতুন। স্নেহময়ী মা-বাবার আদর-যত্নে তিনি বড় হয়ে উঠেন গ্রাম বাংলার সরল-স্নিগ্ধ পরিবেশে।

     

    দ্বিতীয় অধ্যায়: শিক্ষাজীবনের সোপান
    নাছিমা আক্তারের শিক্ষাজীবন শুরু হয় আবদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। মেধাবী ও পরিশ্রমী এই শিক্ষার্থী ১৯৮৫ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ৬ম শ্রেনীতে ভর্তি হন ইমাম হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীনগর, শেরপুর, নান্দাইল, ময়মনসিংহ। সেখান থেকে ৮ম শ্রেনীতে ভর্তি হন মুসলিম মর্ডান একাডেমী, ক্যান্টনমেন্ট,
    ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা  এরপর দশম শ্রেণতে বোয়ালমারি সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, ফরিদপুর এ ভর্তি হন, সেখান থেকে ১৯৯১ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। মাধ্যমিকের পর উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভর্তি হন সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজে, নান্দাইল, ময়মনসিংহ, সেখান থেকে ১৯৯৪ সালে এইচ.এস.সি পাশ করার পর তিনি উচ্চতর শিক্ষার জন্য ময়মনসিংহের খ্যাতনামা মমিনুন নেছা সরকারি কলেজ, ময়নসিংহে স্নাতক শ্রেণীতে ভর্তি হন।

     

    তৃতীয় অধ্যায়: সংসার জীবন ও পরিবার
    শিক্ষা, ধর্ম, ও নৈতিকতা
    এই তিন মূল ভিত্তিকে সামনে রেখে মোছাঃ নাছিমা আক্তার শুধু নিজের জীবনই গড়েননি, বরং গড়েছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার এক শিক্ষাঙ্গন। তিনি যেমন নিজে ধর্ম ও শিক্ষায় এগিয়ে ছিলেন, তেমনি তাঁর সন্তানদেরও গড়ে তুলেছেন আদর্শ নাগরিক হিসেবে। নাছিমা আক্তার জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন মোঃ লুৎফুর রহমানকে, যিনি একজন সম্মানিত ব্যাংক কর্মকর্তা। তাঁর শ্বশুর মোঃ আরজ আলী এবং শ্বাশুড়ি মোছাঃ রাবেয়া খাতুনের আদর-স্নেহে গড়ে উঠেছে তাঁর সংসার জীবন। এই দম্পতির জীবনসঙ্গের ফসল হিসেবে আল্লাহ তাঁদের দান করেছেন দুই ছেলে ও এক মেয়ে:

    *      পুত্র: মোকসিতুর রহমান শিহাব একজন প্রগতিশীল প্রযুক্তি শিক্ষার্থী । অধ্যয়নরত: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE), University of Development Alternative (UODA) মুহাম্মদ মোকসিতুর রহমান শিহাব একজন মেধাবী, পরিশ্রমী ও প্রযুক্তি-বান্ধব তরুণ, যিনি তাঁর শিক্ষাজীবনের প্রতিটি স্তরে রেখেছেন কৃতিত্বের উজ্জ্বল স্বাক্ষর।

     

    তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় লাইসিয়াম প্রি-ক্যাটেডস্কুল, নগুয়া কিশোরগঞ্জ এরপর তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তি হন সরকারি আদর্শ শিশু বিদ্যালয়, অতপর ২০১১ সালে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি হন ভাটি সাভার দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নান্দাইল, ময়মনসিংহ থেকে যেখান থেকে সে পিএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮৬ অর্জন করে। এরপর ভর্তি হন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ থেকে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষাতে যাথাক্রমে জিপিএ-৪.১৭ ও জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতকার্য হন। উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, কিশোরগঞ্জ-এ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.১৭ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি অধ্যয়নরত আছেন বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় University of Development Alternative (UODA)-তে, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) বিভাগে। শিহাবের চিন্তাধারা ও শিক্ষাগত লক্ষ্য UODA-এর মূলনীতি "মানব উন্নয়নের জন্য শিক্ষা"-র সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

     

    প্রযুক্তির জগতে অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেম তাঁর চিন্তা-চেতনার মূল ভিত। ভবিষ্যতে একজন দক্ষ সফটওয়্যার প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    *      কন্যা: সানজিদা তাসনিয়া লুবনা এক প্রতিশ্রুতিশীল আলোকবর্তিকা 

    অধ্যয়নরত গণিত বিভাগ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)

     

    সানজিদা তাসনিয়া লুবনা একজন প্রতিভাবান ও মেধাবী শিক্ষার্থী, যিনি শিক্ষা জীবনের প্রতিটি ধাপে নিজেকে প্রমাণ করে চলেছেন সাফল্যের চূড়ায়। তাঁর শিক্ষার প্রাথমিক স্তর নার্সারি ক্লাস শুরু হয়- আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ এরপর প্রথম শ্রেণী ভর্তি হন সরকারি আদর্শ শিশু বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ থেকে, যেখানে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন জিপিএ-৫ পেয়ে।

     

    এরপর জেএসসি পরীক্ষায়ও তিনি এসভি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পান জিপিএ-৫, এসএসসি-তেও একই বিদ্যালয় থেকে পুনরায় জিপিএ-৫ অর্জন করে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এইচএসসি-তে তিনি ভর্তি হন সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, কিশোরগঞ্জ-এ এবং এখানেও নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে জিপিএ-৫ অর্জন করেন।

     

    বর্তমানে তিনি অধ্যয়নরত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-এ, গণিত বিভাগের অনার্স কোর্সে। শুধু ফলাফল নয়, গবেষণামূলক চিন্তা, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং গণিতের গভীরে প্রবেশ করার অদম্য আগ্রহ তাঁকে করেছে ব্যতিক্রমধর্মী।

     

    লুবনার মধ্যে রয়েছে দেশের জন্য কিছু করে দেখানোর এক অন্তর্নিহিত তাড়না। একজন আলোকিত নারী হিসেবে তিনি যেমন একাডেমিক উৎকর্ষে উজ্জ্বল, তেমনি নৈতিকতা, ভদ্রতা ও সমাজ সচেতনতায়ও অনন্য। ভবিষ্যতে তিনি একাধারে শিক্ষক, গবেষক এবং দেশের উন্নয়নে নিবেদিত একজন গণিতবিদ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

     

    চতুর্থ অধ্যায়: বর্তমান জীবন ও সমাজসেবা
    নাছিমা আক্তার পেশাগতভাবে একজন গৃহিণী, কিন্তু তাঁর চিন্তা-চেতনা ও কর্মপরিধি গৃহের চার দেয়ালের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানার জনতা স্কুল রোডে বসবাস করছেন। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা নান্দাইলের ভাটী সাভার গ্রামে। তাঁর জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্বীনি শিক্ষা ও সমাজসেবার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। একজন শিক্ষিত মুসলিম নারী হিসেবে তিনি বিশ্বাস করেন, একজন মায়ের হাতে গড়ে ওঠে পরবর্তী প্রজন্ম। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি নারীদের কুরআন-হাদীসের আলোকে গড়ে তোলার মহৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করেন “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদরাসা”।স্বামী মোঃ লুৎফুর রহমানের সহযোগিতায় তিনি এ প্রতিষ্ঠানকে নারীদের জন্য দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার একটি আদর্শ শিক্ষাকেন্দ্রে পরিণত করতে সচেষ্ট। তাঁর ব্যক্তিজীবন বিনয়ী, পরহেজগার, ও সমাজকল্যাণে ব্রতী। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি জাতিকে সত্যিকার উন্নতির পথে নিতে হলে নারীদের দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা অপরিহার্য।

     

    পঞ্চম অধ্যায়: একটি স্বপ্নের বীজরোপণ
    জীবনের
    এক লালিত স্বপ্ন এবং মাতৃত্বের গভীর উপলব্ধি থেকে নাছিমা আক্তার অনুভব করেছিলেন যে আমাদের কন্যাশিশুদের জন্য প্রয়োজন একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থার। যেখানে তারা পাবে:

    ·                     দ্বীনি শিক্ষার মজবুত ভিত্তি

    ·                     আধুনিক শিক্ষার আলোকবর্তিকা

    ·                     নৈতিক চরিত্রের দৃঢ়তা

    ·                     জীবনমুখী দক্ষতার প্রশিক্ষণ

    এই চিন্তা থেকেই তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন "মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদরাসা"

     

    ষষ্ঠ অধ্যায়: একটি দৃষ্টিভঙ্গির বিস্তার
    নাছিমা আক্তারের স্বপ্ন শুধু একটি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা হলো:

    ·                     নারী শিক্ষার বিকাশ: মহিলা শিক্ষিকাদের মাধ্যমে নারী শিক্ষার প্রসার

    ·                     সমাজ গঠন: শিক্ষিত মায়ের মাধ্যমে শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা

    ·                     সামাজিক দায়বদ্ধতা: গরীব ও এতিম মেয়েদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা

    ·                     সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ: ইসলামী সংস্কৃতি ও বাংলা ঐতিহ্যের সমন্বয়

     

     

     

     

    সপ্তম অধ্যায়: ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলী
    নাছিমা আক্তারের ব্যক্তিত্বে মিশে আছে:

    ·                     দূরদর্শিতা: ভবিষ্যতের চাহিদা অনুধাবন করার ক্ষমতা

    ·                     দক্ষতা: গৃহিণী ও প্রতিষ্ঠাতাদুই ভূমিকায়ই সফল

    ·                     সহমর্মিতা: সমাজের প্রতি গভীর মমত্ববোধ

    ·                     আধ্যাত্মিকতা: ধর্মীয় মূল্যবোধে অনড় বিশ্বাস

     

    অষ্টম অধ্যায়: একটি জীবনের দর্শন
    নাছিমা আক্তারের জীবন দর্শন খুবই সহজ কিন্তু গভীর:

    "একজন নারীই পারেন পরিবার, সমাজ ও জাতির মৌলিক পরিবর্তন আনতে। আর এই পরিবর্তনের হাতিয়ার ইসলামি শিক্ষাযেখানে দ্বীন ও দুনিয়া, আখিরাত, জ্ঞান ও কর্মের বস্তব সমন্বয় ঘটবে"

     

    উপসংহার: একটি অনন্ত প্রেরণা
    মোছাঃ নাছিমা আক্তার শুধু একজন গৃহিণী নন, তিনি একজন দূরদর্শী সমাজসেবী, একজন আদর্শ মা এবং একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। তাঁর প্রতিষ্ঠিত "মদিনাতুল উলূম" শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি তাঁর জীবনের লালিত স্বপ্নের ফসল, একজন মায়ের তার সন্তান ও সমাজের প্রতি
    boundless love-এর expressionনাছিমা আক্তার সবসময় বিশ্বাস করেন—একজন মা জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্মাতা। তাই তিনি নিজের সন্তানদের দ্বীন ও দুনিয়ার ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষায় গড়ে তুলেছেন। পাশাপাশি, সমাজের অন্য মেয়েদেরও ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করেন “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কওমী মহিলা মাদ্রাসা”।

     

    এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি নারীদের আত্মমর্যাদা, দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিকতাভিত্তিক সমাজ গঠনে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত করতে চান। তাঁর জীবনের এই মহান ত্যাগ ও উদ্যোগ সত্যিই সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

    প্রতিষ্ঠাতার বাণী

    সম্মানিত পাঠক, অভিভাবক ও দ্বীনপ্রেমী ভাই-বোন,

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। “দুনিয়ার শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায়, আর দ্বীনের শিক্ষা মানুষকে খাঁটি বানায়।” আলহামদু লিল্লাহ! সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার যিনি মানবজাতিকে হিদায়াতের জন্য কুরআনুল কারীম দান করেছেন এবং হযরত মুহাম্মদ -কে রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। দরুদ ও সালাম প্রিয় নবীজীর প্রতি, যিনি আমাদেরকে দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ পথ প্রদর্শন করেছেন। একটি স্বপ্ন, একটি দায়িত্ব, আর এক অন্তরাল আকাঙ্ক্ষার নাম“মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা”। এই প্রতিষ্ঠান কেবল একটি শিক্ষা কেন্দ্র নয়, এটি এক ইবাদতের কেন্দ্রস্থল, এক দীপ্ত সম্ভাবনার পথ, যেখানে শিশু-কিশোররা বেড়ে উঠছে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে। এই প্রতিষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল এক নিঃস্বার্থ দোয়ার মধ্য দিয়ে“হে আল্লাহ! এমন কিছু রেখে যেতে দাও, যা কিয়ামত পর্যন্ত সাওয়াবের দরজা খোলা রাখবে।”

     গ্রামের নাম ভাটি সাভার।ময়মনসিংহ জেলার বৈশিষ্ট্য মন্ডিত নান্দাইল উপজেলার অন্যতম ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহা সড়কের পার্শ্বে অর্থাৎ নান্দাইল প্রবেশ করার প্রায় ২ কিঃ মিঃ পশ্চিমে ভাটি সাভার গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামের যাতায়াত ব্যাবস্থা অনেক ভালো ।এই গ্রামে বহু খ্যাতিমান মনীষী জন্ম গ্রহণ করেন I এই গ্রামের অধিকাংশ লোক মুসলমান ।আর এই মুসলমানদের  শিক্ষাব্যবস্থার সূচনা হয় আল্লাহর বাণী- “পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” (সূরা: আলাক, আয়াত-১)। মসজিদে নববীতে অবস্থিত ‘সুফফা’ হলো ইসলামের প্রথম শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়। রাসূল (সা:) ছিলেন প্রথম শিক্ষক এবং সাহাবিগণ প্রথম ছাত্র। সেখান থেকেই ইসলামী শিক্ষার ইতিহাস শুরু হয়। আর ইলমই হলো আল্লাহর কাছে মর্যাদা বৃদ্ধির প্রথম উপায়। আল্লাহ বলেন, “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম বা জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে তাদের মর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দেবেন” (সূরা: মুজাদালা, আয়াত- ১১)। ইলম শিক্ষা করার জন্য পথচলা, হাঁটা, কষ্ট করা ইত্যাদিও ইবাদত। এগুলোর মর্যাদা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বেশি। (বুখারি, মুসলিম)। আল্লাহ সুবহানু তা’য়ালা অশেষ মেহেররানীতে ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারনের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহিহ্ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করার নিমিত্তে নাম“মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা” গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করি।

     মানুষের জীবনের সর্বোচ্চ সফলতা হলো দুনিয়াতে নেক আমলের মাধ্যমে পরকালে মুক্তি অর্জন করা। সেই মুক্তির আশায়, নিজের ঈমান রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করার গভীর আকাঙ্ক্ষা থেকেই আমি প্রতিষ্ঠা করেছি “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা”। এই প্রতিষ্ঠান কোনো আর্থিক লাভ বা দুনিয়াবি খ্যাতির উদ্দেশ্যে নয়; বরং আমার একান্ত ইচ্ছাআমার জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন দ্বীনের খেদমতে ব্যয় হয়, এবং এই প্রতিষ্ঠান কিয়ামত পর্যন্ত কুরআন-সুন্নাহর আলো সকল নারীগণের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ মরেও অমর হয়যদি সে এমন কিছু রেখে যেতে পারে, যা আল্লাহর রাহে সদকায়ে জারিয়া হয়। এই মাদরাসাই আমার সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই: আমার পরিশ্রম, আমার জীবনের প্রতিটি বিন্দু সময়, আমি উৎসর্গ করব একটি এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্যযেটি একদিন শত শত আল্লাহভীরু, নৈতিক, আদর্শ নাগরিক ও হক্কানী আলেমা তৈরি করবে। আমাদের মাদরাসায় শুধু হিফজ বা তালীম নয়শেখানো হয় জীবনের আদর্শ। শিশুদের/বালিকাদের মধ্যে গড়ে তোলা হয় ইনসাফ, তাকওয়া, বিনয়, ও মানুষের প্রতি দয়াশীলতা। আমরা বিশ্বাস করি, কুরআনের হাফেজ হওয়া মানেই কেবল মুখস্থ নয়হতে হবে জীবনকে কুরআনের আলোয় গড়া এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

    প্রতিষ্ঠান গঠনের শুরু থেকেই নানা প্রতিকূলতা, সীমিত সম্পদ, অসংখ্য বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমি এই পথ চলা শুরু করি। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আজ এই প্রতিষ্ঠান দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। আমার ইচ্ছে, এই মাদরাসা হবে এমন এক দ্বীনি নূরের মিনার, যেখান থেকে জাতি পাবে হকপন্থী আলেমা, আদর্শ সংসরী নারী ও সমাজসেবিকা, নৈতিকতা-বান মানুষ এবং আল্লাহভীরু গুনধারী আলেমা, ইসলামের খেদমতকারিনী। আমি একাগ্রতায় দিনরাত এ মাদরাসার উন্নয়ন ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছিকারণ এটি আমার হৃদয়ের অংশ, আমার জীবনের মূল আশা, আমার পরকালীন মুক্তির বাহন।

     

    সকল প্রসংশা ঐ মহান আল্লাহর জন্য যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তাকে কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন যা সে জানত না। অসংখ্য দুরূদ ও সালাম মানবতার মুক্তির দিশারী পৃথিবীর শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি যিনি বিশ্ব মানবতার শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন এবং যিনি আলেমদেরকে নিজের উত্তরাধীকারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

     মানুষের জীবনের সুস্পষ্ট দুটি অধ্যায়- ইহকাল ও পরকাল। উভয় জীবনের সফলতাই মানব জীবনের সফলতা। আর এই সফলতার একমাত্র মাধ্যম দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা। একটি শিশু সর্বপ্রথম মায়ের কাছেই শিক্ষা লাভ করে। মাতৃ জাতির দ্বীনি শিক্ষা তথা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া মানেই একটি জাতি, একটি দেশ শিক্ষিত হওয়া। তাই একটি শিশুকে ইসলামী শিক্ষাদানের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে শারীরিক ,মানসিক ও প্রযুক্তিগতভাবে বলিষ্ঠ করে গড়ে তোলা প্রয়োজন।"মহাগ্রন্থ আলকুরআনের প্রথম বাণী হল “ইকরা” অর্থাৎ পড়, মানব জাতীর মুক্তির সনদ আল-কুরআনের এ বাণীই প্রমান করে লেখাপড়া তথা শিক্ষার প্রতি কিরুপ গুরুত্ব, প্রতিযোগিতা মূলক ও জ্ঞান বিজ্ঞানের জগতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। একটি সুস্থ জাতি গঠন উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌছাতে হলে একদল মানুষকে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার সমন্বয়ে বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থায় গড়ে উঠা মাদ্রাসায় পড়তে হবে। দ্বীনি শিক্ষা অর্জন ও সঠিক আমলের পাশাপাশি মানবিক মুল্যবোধ সম্পন্ন একদল দক্ষ আলেমে দ্বীন হিসেবে নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে যারা হবেন সমাজ পরিবর্তের মূল কারিগর। তারাই সমাজ থেকে নানান কুঃসংস্কার, বিদআত ও শিরকের মূলোৎপাটন করবে। সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, অন্যায় ও যুলুমের বিরুদ্ধে মূল ভুমিকায় থাকবে।

    এ জন্য দরকার মান সম্পন্ন ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা আধুনিক মাদ্রাসা যেখানে শিক্ষক, অবিভাবক ও রাষ্ট্র সকলের সার্বিক সহযোগিতায় শিক্ষার পরিবেশ ও মান বজায় থাকবে বর্তমান সময়ে সমাজের প্রতিটি স্তরে যেভাবে অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ছডিয়ে পড়ছে এবং ইসলামের সঠিক আদর্শ থেকে মানুষ দূরে সরে যাচ্ছে যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিষেশতঃ সমাজের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নৈতিক অধঃপতন আমাকে প্রচন্ডভাবে ভাবিয়ে তোলে | সমাজের এই অবস্থা দূর করে, ইসলামী সমাজ বিনির্মান একদল দক্ষ আলেমে-দ্বীন ব্যতিত সম্ভব নয়।

    আমি বিশ্বাস করি “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা” অত্র গ্রামের নারীদেরকে কুরআন, হাদীস, ফিকহ, আকীদাহ ইত্যাদি ইসলামি শাস্ত্র শিক্ষা দিয়ে আলোকিত করে। এর ফলে নারীরা ইসলামের সৌন্দর্য ও বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করে। একজন নারী যখন মাদ্রাসায় দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করে, তখন তার মধ্যে লজ্জাশীলতা, হায়া, তাকওয়া, আমানতদারি, ধৈর্য ও বিনয় ইত্যাদি গুণের বিকাশ ঘটে। সে হয়ে ওঠে একজন আদর্শ স্ত্রী, মা ও সমাজনেত্রী। নারী যদি দ্বীনের শিক্ষা পায়, তবে সে সন্তানদের আদর্শ দ্বীনি পরিবেশে বড় করতে পারে। ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি সমাজ গঠনের ভিত রচিত হয়। মাদ্রাসা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও যোগ্যতা তৈরি করে, যেন তারা অন্য নারীদের মধ্যে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে পারে পরিবার, পাড়া-মহল্লা ও সমাজে। নারী মাদ্রাসাগুলোতে হিফজ, ক্বিরাত, ফিকহ, ইসলামী সাহিত্য, আরবি ভাষা ও দাওয়াহ প্রশিক্ষণ দিয়ে নারীদেরকে দ্বীনি কাজের জন্য প্রস্তুত করে। মাদ্রাসা একটি নিরাপদ, পর্দাশীল ও নারী-উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে, যাতে মেয়েরা ইসলামী জ্ঞান গ্রহণে আগ্রহী হয় বর্তমান যুগে যেখানে নৈতিকতা ও দ্বীনি চেতনা বিলুপ্তির পথে, সেখানে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়া ছিল সময়ের দাবি। আমি বিশ্বাস করি, একমাত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস ভিত্তিক শিক্ষা দ্বারাই আমাদের প্রজন্মকে সৎ, নৈতিক ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বালি, টিন, ইট, প্রতিটি পর্দা, প্রতিটি দরজা যেন সাক্ষ্য দেয় আমার দোয়া, মেহনত ও একাগ্র সাধনার। আমি আশা করি, এই প্রতিষ্ঠান একদিন শুধু আমার এলাকার নয় বরং পুরো জাতির দ্বীনি জ্ঞানচর্চার এক আলোকস্তম্ভে পরিণত হবে। আমি সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর নিকট দোয়া কামনা করিআল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করেন, এটিকে খালেস নিয়তের মাধ্যমে পরিচালিত রাখেন এবং এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমি ও আমরা সকলেই পরকালের মুক্তি লাভ করতে পারি। কৃতঞ্জতা জানাই আমার পরিবারের প্রত্যেক সদস্য, এলাকার প্রতিটি মানুষ যাহারা আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগীত করেছেন, পরামর্শ দিয়ে, শ্রম দিয়ে, আর্থিক অনুদান দিয়ে সাহায্য করেছেন। দোয়া করি আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’য়ালা আপনাদের সকলের দান কবুল করে জান্নাতের ফয়সালা করে দিন। হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, আমার বংশ থেকে তদারককারী ও ইসলামের খাদেম বানান, কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত রাখুন, আপনি ইসলামের দা তৈরী করুন। হে আমাদের রব, আর আমার দো‘আ কবূল করুন। হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আমিন। হে আল্লাহ, আমার ছেলে. মেয়ে সহ সকল পরিবার বর্গের ও আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং পুরুষ ও নারী সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমাদের সব কাজের শেষ ফল সুন্দর করুন এবং আমাদেরকে দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও কবরের আজাব থেকে মুক্ত রাখুন।’ আমিন।

     আমি দেশ-বিদেশের সকল দ্বীনদার ভাইবোনদের দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করিআল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন, এটিকে খাঁটি নিয়তের সাথে টিকে থাকার তাওফীক দেন এবং এই প্রতিষ্ঠানকে দিনদিন উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যান।পরিশেষে মহান আল্লাহর দরবারে এই দোয়া করি, আল্লাহ যেন এই প্রতিষ্ঠানকে নিজ কুদরতে তার কক্ষপথে পরিচালনা করেন। আমিন, ইয়া রাব্বূল আলামীন।

     

    “সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লহিল আযীম” সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদুআল্লা-ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক”।

     

    وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

    والسلام

    সন্মানসহ,

    আপনাদের দ্বীনি খাদেম,

     

    মোছাঃ নাছিমা আক্তার

    প্রতিষ্ঠাতা

    মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা

    মোবাইলঃ ০১৩৩৫৫৫৪৮৮৮, ০১৮৮৬৬৮৮৮১১

    ফোনঃ ০২৯৯৭৭৬১৩২৯

    মেইলঃ nasima.madrasa@gmail.com

     

    হোয়াটসাঅ্যাপ চ্যাট
    মেসেঞ্জার চ্যাট
    লোডিং হচ্ছে...